আজকালের প্রতিবেদন‌, দিল্লি, ২৭ মে- শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেন নিয়ে হাজারো অভিযোগ। দেড় দিনের রাস্তা পৌঁছাতে লাগছে চার–‌পাঁচদিন। যাত্রাপথে দেওয়া হচ্ছে না খাবার, জল। খবর বেরিয়েছে, গরম, ক্ষুধা এবং জলাভাবে ট্রেনে অন্তত দশ জন যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন। রেলের দাবি, ট্রেনে মৃত্যুর খবর ভুয়ো, ভিত্তিহীন। একই দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী জি কিসান রেড্ডি। 
একটি হিন্দি দৈনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেনে চারজন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।  রেলের দাবি, ‘‌যে চারজনের মৃত্যুর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ২ জন আগে থেকেই গুরুতর রোগে ভুগছিলেন। একজনের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট এখনও আসেনি। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট সামনে এলে, তবেই বোঝা যাবে। চতুর্থ জনের বিষয়ে এখনও সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই রেলের কাছে।’‌ রেলের মুখপাত্র টুইট করেছেন, ‘‌বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রীদের চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। প্রত্যেক শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেনে খাবার, জল দেওয়া হচ্ছে।’ জি কিসান রেড্ডি টুইট করেছেন, খাবারের অভাবে ট্রেনে মৃত্যু হয়েছে বলে খবর ছড়ানো হচ্ছে। পোস্টমর্টেমের আগেই মিথ্যা খবর ছড়ানো হচ্ছে। 
এদিকে, বিহারের মুজফ্‌ফরপুর স্টেশনে এক মহিলার মৃত্যু, তাঁর অবুঝ শিশুটির মাকে জাগানোর চেষ্টা— ভিডিওতে ধরা আছে নিদারুণ দৃশ্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় তা ঘুরছে। অভিযোগ, খাবার ও জল না পেয়ে ট্রেনে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ওই মহিলা। ট্রেনেই মারা যান। রেলমন্ত্রকের ব্যাখ্যা, ওই মহিলা আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন।  আমেদাবাদ থেকে গত ২৩ মে কাটিহারগামী শ্রমিক ট্রেনে ওঠেন তিনি। ২৫ মে মৃত্যু হয়। এরপরে মুজফ্‌ফরপুর স্টেশনে তাঁর মৃতদেহ নামিয়ে নেয় পরিবারের লোকেরা।

জনপ্রিয়

Back To Top