আজকাল ওয়েবডেস্ক: বোর্ডের‌ পরীক্ষা চলাকালীনই করোনার জেরে লকডাউন। লকডাউন উঠলেও সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের জন্য বাকি পরীক্ষা নিতে পারেনি সিবিএসই। বহু পরীক্ষার্থী এক বা একাধিক পরীক্ষা দিতে পারেনি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে, যে ক’‌টা বিষয়ে পরীক্ষা হয়েছে, সেগুলোতে প্রাপ্ত সর্বোচ্চ নম্বরের গড় করেই সোমবার বের করা হল রেজাল্ট। 
এই রেজাল্ট নিয়ে পড়ুয়াদের মধ্যে একটা মানসিক চাপ ছিলই। তাছাড়া সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের আগে পর্যন্ত, বাকি পরীক্ষা হবে কিনা, সেই নিয়েও চাপ ছিল পরীক্ষার্থীদের। সর্বোপরি করোনার কারণে অবসাদ তো রয়েইছে। সারা দেশে পরিস্থিতি অন্যরকম। এসব কারণে ছাত্র–ছাত্রীদের ওপর আর চাপ বাড়াতে চায়নি সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন। 
রেজাল্ট বের করে মেধাতালিকাই প্রকাশ করল না। অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের রেজাল্টে ‘‌ফেল’‌ শব্দ ব্যবহার করা হল না। বদলে লেখা হল ‘‌এসেনশিয়াল রিপিট’‌। যারা কম্পার্টমেন্টাল পেয়েছে, তাদের রেজাল্টে লেখা হল ‘‌বিশেষ’‌। ‘‌ফেইলড’‌ এবং ‘‌কম্পার্টমেন্টাল’‌, রেজাল্টে এই দু’‌টি শব্দের বদলে কী ব্যবহার করা যেতে পারে, সেই নিয়ে স্কুলের অধ্যক্ষদের মতামত চেয়েছিল বোর্ড। জানিয়েছিল, এই পরিস্থিতিতে কোনওভাবেই পড়ুয়াদের মানসিক চাপে ফেলা যাবে না। সেই মেনেই ভিন্ন ধারার ফলপ্রকাশ করল সিবিএসই। 
সিবিএসই–র এক কর্তার কথায়, লকডাউনের আগে যেসব পরীক্ষা হয়েছে, তার ভিত্তিতেই ফল  প্রকাশ হয়েছে। তাই এবার মেধাতালিকা বের করা অর্থহীন। তাছাড়া মেধাতালিকা অনেক পড়ুয়ার মনে চাপও ফেলবে। বোর্ড জানিয়েছে, এ বছর ৩৬,৬৮৬ জন ৯৫ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়েছে। ১২ লক্ষ পড়ুয়া দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা দিয়েছিল। ৮৮.‌৭৮ শতাংশ পাশ করেছে। ২০১৯ সালের থেকে পাঁচ শতাংশ বেশি।  

জনপ্রিয়

Back To Top