আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ তিনি আর সরকারে নেই। তাই মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন নিয়মমতো ছাড়তে হয়েছে। কিন্তু নিজস্ব বাড়ি না থাকায় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার এবং তাঁর স্ত্রী পাঞ্চালি আপাতত আগরতলায় সিপিএম–এর দলীয় সদর দপ্তরের উপরেই থাকছেন, দু’‌কামরার একটি ফ্ল্যাটে। মানিক সরকার নিজের পৈতৃক বাড়ি তাঁর বোনকে দিয়ে দিয়েছেন, এবং এমএলএ হস্টেলেও থাকতে রাজি হননি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাই এই ব্যবস্থাই বেছে নিয়েছেন তাঁরা। এর আগেও কয়েক বছর দলীয় অফিসের ওই ফ্ল্যাটে কাটিয়েছিলেন মানিক সরকার। ত্রিপুরায় সিপিএম সচিব বিজন ধর এপ্রসঙ্গে বললেন, ত্রিপুরার সিপিএম নেতারা সাধারণ জীবন যাপন করেন। সেজন্য দলীয় কার্যালয়ে এধরনের ব্যবস্থা আছেই। যদিও প্রাক্তন সরকারি কর্মী পাঞ্চালি সরকারের আগরতলাতে নিজস্ব একটি সম্পত্তি আছে। কিন্তু ওই সম্পত্তিটি এক প্রোমোটারকে হস্তান্তরিত করায় সম্প্রতি বিতর্কে জড়িয়েছেন পাঞ্চালি সরকার। বিপ্লব কুমার দেব অবশ্য সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সরকারি বাসভবন এবং প্রয়োজনীয় সুবিধা পাবেন, যা তাঁর প্রাপ্য। বিরোধী দলনেতাও মন্ত্রিসভার সদস্যের মতোই সম্মান পাবেন। বিরোধী দলের অন্য বিজয়ী বিধায়করা এমএলএ হস্টেলে থাকতে পারবেন। বিপ্লব কুমার আরও বললেন, বিজেপি এবার জিতলেও নতুন ত্রিপুরা গঠনে মানিক সরকার এবং তাঁর দলের সহযোগিতা নিয়েই চলবেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, ভোটে হারার পর সিপিএম–এর কয়েকজন প্রাক্তন মন্ত্রী এমএলএ হস্টেলে চলে গিয়েছেন। বাকিরা নিজেদের পৈতৃক বাড়িতে ফিরে গিয়েছেন।           

জনপ্রিয়

Back To Top