আজকাল ওয়েবডেস্ক: মহারাষ্ট্র কি অবশেষে পুরোপুরি মারাঠাদেরই দখলে যাচ্ছে?‌ অন্তত যে পথে মারাঠা রাজ্যের রাজনীতি এগোচ্ছে তাতে সেই ইঙ্গিতই মিলছে। সোমবার সকালেই কেন্দ্রীয় ভারী শিল্প এবং বেসরকারি শিল্পমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফার কথা জানিয়ে টুইট করেছেন মোদি মন্ত্রিসভায় শিবসেনার একমাত্র সাংসদ অরবিন্দ সাওয়ান্ত। কারণ এনসিপি শিবসেনাকে আগেই শর্ত দিয়েছিল তাদের সমর্থন পেতে হলে বিজেপির সঙ্গে সবরকম সংস্রব ত্যাগ করে এনডিএ ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হবে শিবসেনাকে।

শিবসেনার শীর্ষ নেতা সঞ্জয় রাউত এদিন ফের বলেছেন, ‘‌বিজেপি মহারাষ্ট্রবাসীর জনাদেশকে অমান্য করেছে। জেদ করে তারা বরোধী আসনে বসতে চাইছে কিন্তু ৫০–৫০ ফর্মুলা মানতে তারা রাজি নয়।’ যদিও কংগ্রেস এখনও বিরোধী আসনে বসতেই ইচ্ছুক। শীর্ষ কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে এদিন সকালেই বলেছেন, ‘‌মানুষ আমাদের বিরোধী আসনে বসার পক্ষেই মত দিয়েছে। তাই আমরা তাই করব।

তবে হাই কমান্ড যা সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই হবে।’‌ ইতিমধ্যেই সোনিয়া গান্ধীর বাড়িতে তাঁর নেতৃত্বে বৈঠকে বসেছে কংগ্রেসের কোর কমিটি। নিজের দলের নেতাদের নিয়ে বৈঠক ডেকেছেন এনসিপি সুপ্রিমো শারদ পাওয়ারও। তবে পাওয়ার সাফ জানিয়েছেন, তিনি কাউকে পদত্যাগ করতে বলেননি। কংগ্রেসের সঙ্গে কথা বলেই তাঁর দল রাজ্য সরকার গঠন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। অন্যদিকে, এদিনই বৈঠকে বসছে বিজেপির কোর কমিটিও।

রবিবারই বিজেপি রাজ্যপালকে জানিয়ে এসেছিল তাদের সরকার গড়ার প্রয়োজনীয় বিধায়ক নেই। তবে প্রদেশ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা সঞ্জয় নিরুপম, রবিবারই টুইট করে বলেছিলেন, মহারাষ্ট্রের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এনসিপি–কংগ্রেস জোট যেহেতু সরকার গড়তে পারবে না সেহেতু তাদের শিবসেনার সমর্থন দরকার। কিন্তু শিবসেনার হাত ধরলে তা এই জোটের পক্ষে বিপজ্জনক হতে পারে বলে সতর্ক করেছিলেন নিরুপম। ‌  
ছবি:‌ এএনআই     ‌ 

জনপ্রিয়

Back To Top