আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ লোকসভা ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছিলেন, ক্ষমতায় এলে সংবিধান পাল্টে দেবে মোদি সরকার। ভোটের পর সে কথা ফলে যাচ্ছে অক্ষরে অক্ষরে। একের পর এক সাংবিধানিক সংস্থার আইনে বদল আনছে এনডিএ সরকার। যেমন সোমবার লোকসভায় পাশ হয়ে গেল তথ্যের অধিকার আইনের সংশোধনী বিল। সেখানে বলা হয়েছে, এবার থেকে তথ্যের কমিশনের চেয়ারম্যানের মেয়াদ আর আগের মতো পাঁচ বছরের জন্য নিশ্চিত থাকবে না। মেয়াদ সরকার ঠিক করে দেবে। এর পাশাপাশি, বেতনও ঠিক করবে কেন্দ্র। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের মতো তথ্য কমিশনের চেয়ারম্যানের বেতন হবে। আর বাকি নির্বাচনী আধিকারিকদের যা বেতন, তা পাবেন তথ্য কমিশনের বাকি রাজ্য স্তরের আধিকারিকরা। এককথায় এই বিল পাশ হওয়ার ফলে কেন্দ্র সরকারের উপর কিছুটা নির্ভরশীল হয়ে পড়তে হল এই কমিশনের আধিকারিকদের। 
আর তাতেই গণতন্ত্রের সর্বনাশ দেখছেন বিরোধীরা। এতদিন সরকারি ও সরকার পরিচালিত একাধিক প্রতিষ্ঠানের তথ্য প্রকাশ্যে আনার জন্য তথ্যের অধিকার, ২০০৫ আইনে আবেদন করলেই আগামী ৩০ দিনের মধ্যে তথ্য দিতে বাধ্য থাকত সরকারি দপ্তর। সেই আইনেই মোদির দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি জানতে চেয়ে কদিন আগেই মামলা হয়েছিল। তার ভিত্তিতে ১৯৭৮ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা সমস্ত স্নাতকদের তালিকা বার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। যদিও তারপরেই বদলি করে দেওয়া হয় মুখ্য তথ্য কমিশনারকে। সংসদে কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী সংশোধনী বিল পাশের সময়েই বলেন, এর ফলে সৎ ভাবে কাজ করতে অসুবিধা হবে তথ্য কমিশনের। ভারতীয় গনতন্ত্রের ক্ষেত্রে যা বিপজ্জনক।    ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top