সংবাদ সংস্থা, ২৫ মার্চ- করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে দেশব্যাপী তিন সপ্তাহের লকডাউন, ভিসা ও আন্তর্জাতিক উড়ান বাতিল ইত্যাদি কারণে চলতি অর্থবর্ষে ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছে এদেশের বেসরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবা। গবেষণার ভিত্তিতে একথা জানিয়েছে বেসরকারি ব্রোকারেজ সংস্থা এডেলওয়েইজফিন ডট কম। এই সংস্থা জানিয়েছে, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধী একাধিক কারণে চলতি অর্থবর্ষের শেষ ও পরবর্তী অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে বেসরকারি হাসপাতালগুলির আয় কমবে। এর ওপর লকডাউনের সময় আউটডোর বন্ধ থাকার জেরে কমবে অপারেশনের সংখ্যাও। এতে ভবিষ্যতের আয়ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে। প্রতি বছর বেসরকারি হাসপাতালগুলির মোট আয়ের ১০ থেকে ১২ শতাংশ আসে বিদেশ থেকে আসা রোগীদের চিকিৎসা ও অপারেশন থেকে। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে আপাতত ভিসা বাতিল করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলে বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে কমবে রোগী সংখ্যা। কমবে আয়ও। জরুরি নয় এমন অপারেশন এখন কয়েক মাস বন্ধ রাখবেন রোগীরা। এতে আয় আরও কমবে। এরপর যদি দীর্ঘসময় জুড়ে লকডাউন চলতে থাকে তাহলে চলতি ত্রৈমাসিকে বেসরকারি হাসপাতালগুলির আয় কমবে ১০ শতাংশ। পরবর্তী অর্থবর্ষে কমবে ৩ থেকে ৪ শতাংশ। কবে সংক্রমণ কমবে এবং লকডাউন তুলে নেওয়া হবে তা এখনই স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। ফলে বেসরকারি হাসপাতালগুলির ব্যবসা আগের অবস্থায় ফিরতে বেশ সময় লেগে যাবে। এর ফলে ২০২০–‌২১ আর্থিক বছর জুড়েই হাসপাতালগুলির আয় কমবে বলে মনে করছে গবেষণাকারী সংস্থা এডেলওয়েইজ। একইসঙ্গে ব্যবসাও অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। তবে ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা তেমন কমবে না বলেই মনে করছে এই সংস্থা। কারণ বিদেশ থেকে বছরে যত ক্যান্সার রোগী এদেশে চিকিৎসার জন্য আসেন, তাঁরা মোট ক্যান্সার রোগীর মাত্র ৫ শতাংশ। 
 
 

‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top