আজকাল ওয়েবডেস্ক: সশরীরে হাজির হয়ে বকেয়া ৪৪, ৮১৬ টাকার বাড়ির পুরক‌র জমা দিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে প্রয়াত কবি মহাদেবী ভার্মাকে। এলাহাবাদ পুরসভার কর্মী গত বছরের ৪ নভেম্বর এই নোটিস ধরিয়ে এসেছেন বর্তমানে ওই বাড়ির বাসিন্দা রানি পান্ডে এবং তাঁর পরিবারকে। অথচ গত ৩০ বছর আগেই মারা গিয়েছেন বিশিষ্ট এই হিন্দি কবি। মৃত্যুর দু’‌বছর আগে তিনি তাঁর সব সম্পত্তি সাহিত্য সহকার ন্যাস নামে একটি ট্রাস্ট গঠন করে দান করে যান। তার মধ্যে এলাহাবাদের অশোকনগরের নেভাদার ওই বাড়িটিও আছে। 
রানি পান্ডে জানালেন, ৩০ আগে তিনি ওই বাড়িতে আসেন। তাঁর শ্বশুর তথা বিশিষ্ট সমালোচক গঙ্গাপ্রসাদ পান্ডে ওই বাড়িতে বহু আগে থেকেই থাকতেন। এমনকি তিনি নিজেও দীর্ঘ দিন কবি মহাদেবী ভার্মার সহকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন।

তাঁরাই কবির ট্রাস্টের দেখভাল করেন। তাঁর প্রয়াত স্বামী রামজি ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত পুরকর দিয়েছিলেন। তারপর থেকে আর কোনও বিল পাননি পুরসভার তরফে। রানির বড় ছেলে ব্রিজেশ পান্ডের দাবি, যেহেতু তাঁর বাবা এলাহাবাদ পুরসভায় আবেদন করে জানিয়েছিলেন, নেভাদার ওই বাড়িটি ট্রাস্টে দান করে গিয়েছিলেন কবি এবং নাম পরিবর্তনেরও আবেদন করেছিলেন। তাই তাঁরা ভেবেছিলেন পুরসভা তাঁদের বাড়ির কর ছাড় দিয়েছে। অন্যদিকে, এলাহাবাদ পুরসভার তরফে পান্ডে পরিবারের দাবি উড়িয়ে দিয়ে পাল্টা বলা হয়েছে, পুরসভার রেকর্ডে এখনও ওই বাড়িটি কবি মহাদেবী ভার্মার নামেই আছে। যে পরিবারটি তাঁর সম্পত্তির ট্রাস্টি হিসেবে নিজেদের দাবি করছে তাঁরা কখনওই কোনও নাম বদল বা ওই ধরনের আবেদন করেননি পুরসভায়। কারণ পুরসভার কর বিভাগে এধরনের কোনও আবেদনের রেকর্ড নেই।  ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top