আজকাল ওয়েবডেস্ক: করোনাভাইরাস ঠেকাতে সবার প্রথম সাফল্য পেয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়া। কারণ তারা বিপুল পরিমাণে পরীক্ষা করে সাধারণ সুস্থ মানুষকে রোগীদের থেকে আলাদা করতে পেরেছিল। তারা সেই সংক্রমণে রাশ টানতে পেরেছিল। ফলে দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছে মডেল হয়ে যায়।
এবার একই মডেল গ্রহণ করে নজির স্থাপন করল কেরল। ফলে বোঝা গেল বাংলার পর দেশের বাকি রাজ্যের থেকে তারা অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার ধাঁচে কেরলে তৈরি হল করোনা কিয়স্ক। এখানেই করোনা সন্দেহভাজনদের থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। চারটি হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে এই কিয়স্কগুলি তৈরি করা হয়েছে। কিয়স্কগুলিতে আছে আইসোলেশন ওয়ার্ড এবং সোয়াব পরীক্ষার ল্যাব।
এই কিয়স্কগুলির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ওয়াক ইন স্যাম্পল কিয়স্ক’ বা উইস্ক। বেসরকারি জাতীয় সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, কাঁচ দিয়ে ঘেরা কিয়স্কগুলিতে দাঁড়িয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের নমুনা সংগ্রহ করার একটি করে আলাদা স্থানও রয়েছে। করোনা আক্রান্ত এবং সন্দেহভাজনদের নমুনা সংগ্রহের সময় স্বাস্থ্যকর্মীরা যাতে সরাসরি সংস্পর্শে না আসেন সেই ব্যবস্থাও রয়েছে কিয়স্কে। লালার নমুনা সংগ্রহের পর স্বাস্থ্যকর্মীদের হাতের দস্তানা কিয়স্কের বাইরে স্যানিটাইজ করিয়ে আনা হচ্ছে।
কেরলের জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক এস সুধাস জানান, এই পদ্ধতিতে গণ স্ক্রিনিং–এর ব্যবস্থা থাকবে। ফলে দ্রুত চিহ্নিত করা যাবে করোনা আক্রান্তকে। এই ব্যবস্থার জেরে কমবে পিপিই কিটের চাহিদা। এভাবে অল্প সময়েই অনেক পরীক্ষা করা সম্ভব হবে। প্রতিটি উইস্ক তৈরি করতে সরকারের ৪০ হাজার টাকা খরচ পড়ছে। উল্লেখ্য, দক্ষিণ কোরিয়ায় এই ধরনের কিয়স্ক তৈরি করা হয় করোনায় গণসংক্রমণ পরীক্ষার জন্য। ফলে দেশে সংক্রমিতদের দ্রুত চিহ্নিত করার কাজে সফল হয়েছিল তারা।
 

জনপ্রিয়

Back To Top