‌‌‌‌সংবাদ সংস্থা, ভোপাল: মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার দু’‌টি আসনের উপনির্বাচন নিয়ে টানটান উত্তেজনা। লড়াই শিবরাজ সিং চৌহানের সঙ্গে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার। ভোট সিন্ধিয়াদের ঘাঁটি গোয়ালিয়র এবং চম্বলে। বছরশেষে মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে শিবরাজের বিরুদ্ধে সম্ভবত জ্যোতিরাদিত্যকেই তুলে ধরা হবে। গোয়ালিয়র ও চম্বলের কোলারস এবং মুনাগোলি দু’‌টি আসনই কংগ্রেসের ছিল। বিধায়ক ছিলেন যথাক্রমে রাম সিং যাদব এবং মহেন্দ্র সিং কালুখেড়া। প্রয়াত দুই বিধায়কই সিন্ধিয়া পরিবারের অনুগত ছিলেন। ফলে উপনির্বাচন হয়ে উঠছে জ্যোতিরাদিত্যের মর্যাদার লড়াই। 
যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে জনপ্রিয়, স্বচ্ছ ভাবমূর্তির জ্যোতিরাদিত্যের প্রতি রাহুল গান্ধীর প্রচ্ছন্ন সমর্থন আছে। আসন দু’‌টি ধরে রাখতে পারলে মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তাঁর দাবি জোরালো হবে। ঝঁাপিয়ে পড়েছেন তাই। একের পর এক জনসভা করছেন। প্রায়শই তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছেন কমল নাথ, কান্তিলাল ভুরিয়ার মতো প্রবীণ নেতারা। দেখা যাচ্ছে না দিগ্বিজয় সিংকে। ‘‌নর্মদা পরিক্রমা’‌ নিয়ে বড্ড ব্যস্ত তিনি!‌ মধ্যপ্রদেশের বিরোধী দলনেতা অজয় সিংয়েরও দেখা নেই। দেখা নেই তাঁর ঘনিষ্ঠ মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অরুণ যাদবেরও। সেই ২০০৩–‌‌এ মধ্যপ্রদেশে বিজেপি–‌‌র কাছে ক্ষমতা হারিয়েছিল কংগ্রেস। 
বিজেপি শিবিরেও তৎপরতা। গত বছর আতের এবং চিত্রকূট বিধানসভা উপনির্বাচনে হেরে বাড়তি সতর্কতা বিজেপি–‌তে। শাসক দল ধাক্কা খেয়েছে পুরভোটেও। মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান নিজে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। কোলারস এবং মুনাগোলিতে কাচ্ছি এবং কুর্মি সম্প্রদায় বড় ভোটব্যাঙ্ক। তাঁদের সমর্থন পেতে ওই দুই সম্প্রদায়ের নারায়ণ সিং কুশবাহ এবং বালকৃষ্ণ পাতিদারকে সদ্য নিজের মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়েছেন দিগ্বিজয়। বছরের শেষে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ২৪ ফেব্রুয়ারির এই উপনির্বাচনকেই মহড়া হিসেবে দেখছেন শিবরাজ।

জনপ্রিয়

Back To Top