আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ লকডাউনের প্রভাব আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি অর্থনীতি। পার ক্যাপিটা জিডিপি–তে ভারতকে পিছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী দিন আরও ভয়াবহ। মূল্যবৃদ্ধি কপালে ভাঁজ ফেলেছে মধ্যবিত্তের। 
তবে দেশের সার্বিক করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। চাকরির বাজারও মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে। এর মধ্যেই অদ্ভুত এক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেল। কাজ আছে। কিন্তু সেই কাজ করার মতো কর্মী নেই। কাজের প্রতি এই অনীহা সবথেকে বেশি দেখা গেল পরিযায়ী শ্রমিকদের। আর শহরে ফিরতে চাইছেন না তাঁরা। নিজেদের গ্রামেই কাজ করতে চাইছেন। 
সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকনমি (সিএমআইই) জানিয়েছে, যাঁরা কাজ ছেড়ে চলে যাননি চাকরি তাঁরাই পেয়েছেন। মনে করা হয়েছিল সেপ্টেম্বরে হয়তো অনেক বেশি মানুষ চাকরির সন্ধান করবেনয কিন্তু করেননি। সিএমআইই–র অনুমান এ বছর ঠিক উল্টোটি হয়েছে।
শহরে কর্মসংস্থান যখন পড়তির দিকে তখন গ্রামে কর্মসংস্থান ও কাজের প্রবণতা কিন্তু বাড়ছে। যদিও নীতি নির্ধারকদের একাংশ জানিয়েছেন, চাকরির বাজারে মান পড়ে যাচ্ছে অনেকটা। শহরাঞ্চলে উন্নতমানের এবং বেশি বেতনের চাকরির সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। অন্যদিকে গ্রামে কম বেতনের চাকরির সুযোগ বাড়ছে। 
সিএমআইই–র মতে, সেপ্টেম্বরে নিয়োগ বেড়েছে ৫১ লক্ষ। বেকারত্ব হ্রাস পেয়েছে ৭৩ লক্ষ। এর থেকে স্পষ্ট অনেকেই চাকরি পেয়েছেন সেপ্টেম্বরে। তবু শহরে কিন্তু এখনও অনেক পদ ফাঁকা পড়ে রয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে চাহিদাতেও। জিনিসের চাহিদা বাড়ছে না। এর ফল ভুগছে অর্থনীতি। মূল্যবৃদ্ধি হয়েই চলেছে। 

জনপ্রিয়

Back To Top