আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ অবিলম্বে জেএনইউ–য়ে গত পাঁচ চারিখের তাণ্ডবে অভিযুক্ত দুই হোয়াটস্‌অ্যাপ গোষ্ঠীর সেলফোন বাজেয়াপ্ত করতে দিল্লি পুলিসকে আদেশ দিয়েছে দিল্লি হাই কোর্ট। ইউনিটি এগেইন্স্ট লেফ্‌ট’‌ এবং ‘‌ফ্রেন্ডস্‌ অফ আরএসএস’‌ নামে দুই গোষ্ঠীর বিরুদ্ধেই পাঁচ তারিখের তাণ্ডবের অভিযোগ রয়েছে। সোমবারই জেএনইউ কাণ্ডের সিসিটিভি ফুটেজ, হোয়াটসঅ্যাপে কথোপকথন এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষিত রাখতে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এবং গুগলকে নোটিস দিয়েছিল হাইকোর্ট। হাইকোর্ট পুলিসকে আদেশ দিয়েছে যাতে তারা ওই দুটি গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্যকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং তাঁদের ফোন বাজেয়াপ্ত করে তদন্তের স্বার্থে। তার প্রেক্ষিতে এদিন হোয়াটস্‌অ্যাপ হাইকোর্টে বলেছে, এন্ড–টু–এন্ড এনক্রিপশন প্রক্রিয়ার জন্য তাদের কাছে কোনও ইউজারের মেসেজ সংরক্ষিত থাকে না।

এজন্য তাদের কোনও প্রযুক্তিও নেই। তবে এর একমাত্র উপায় হল নির্দিষ্ট সেই ব্যক্তির  সেলফোন নেওয়া শুধু তাতেই সেই মেসেজ সংরক্ষিত থাকে। তারপরই ওই আদেশ দেয় হাইকোর্ট। দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি বৃজেশ শেঠি জেএনইউ–র রেজিস্ট্রার প্রমোদ কুমারকে বলেছেন, যখনই পুলিসের তদন্তের কাজে দরকার পড়বে তখনই যেন তাদের যাবতীয় তথ্য দিয়ে সাহায্য করা হয়। সোমবারই পুলিস আদালতে জানিয়েছিল নোটিস দেওয়ার পরও তখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি বিশ্ববিদ্যালয়। জেএনইউ–র তদন্তকারী কমিটির সদস্য— অধ্যাপক অমিত পরমেশ্বরম, অদ্যাপক অতুল সুদ এবং অধ্যাপিকা শুক্লা সাওয়ান্ত ওই দুটি গোষ্ঠীর কাছ থেকে তথ্য জোগাড় করবেন।      

জনপ্রিয়

Back To Top