আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বিদেশিদের এনে স্বাভাবিক উপত্যকা দেখানো হলেও মোদি সরকার আসলে ভাবের ঘরে চুরি করছে তার প্রমাণ এল প্রকাশ্যে। সম্প্রতি নীতি আয়োগের কর্তা এখানের ইন্টারনেট দিয়ে নোংরা ফিল্ম দেখা হয় বলে মন্তব্য করেছিলেন। তা নিয়ে জোর বিতর্কও হয়েছিল। এবার কাশ্মীরবাসীর মন পেতে ঘটা করে ৩৬ জন মন্ত্রীকে এই নবগঠিত কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পাঠিয়েছে কেন্দ্র। 
সূত্রের খবর, এমনকী এই ৩৬ জনের মধ্যে পাঁচজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবার পা রাখছেন কাশ্মীর উপত্যকায়। তাও শুধুমাত্র উপত্যকার তিনটে জেলায় যাবেন তাঁরা। যে পাঁচ মন্ত্রী কাশ্মীর উপত্যকায় যাচ্ছেন তাঁরা হলেন রবিশঙ্কর প্রসাদ, মুখতার আব্বাস নাকভি, রমেশ পোখরিয়াল, শ্রীপদ নায়েক এবং জি কিষাণ রেড্ডি। তিন জেলায় মোট ৮টি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মন্ত্রীরা। অনুচ্ছেদ ৩৭০ তুলে দেওয়ার পর কাশ্মীর উপত্যকার জন্য সরকারের কী পরিকল্পনা সেটাই জানানো হবে মানুষদের।
কিন্তু প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, জম্মু অঞ্চলে ৩৬ জন মন্ত্রী, কাশ্মীর উপত্যকায় কেন মাত্র পাঁচজন?‌ উপত্যকায় এতগুলি জেলার মধ্যে কেন শুধুমাত্র শ্রীনগর, গান্ডেরবাল আর বারামুলা জেলার বাইরে মন্ত্রীরা যাবেন না?‌ এই অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরে এখনও ভরসা করতে পারছে না কেন্দ্র? মোট ৭টি জেলায় যাচ্ছেন না কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। 
এই বিষয়ে ন্যাশনাল কনফারেন্সের সাংসদ হাসনেন মাসুদি বলেন, ‘‌এটা লোকদেখানি সফর। দেশবাসীকে দেখানো হচ্ছে যে কাশ্মীরে উন্নয়নের কাজ চলছে। অথচ কিছুই হচ্ছে না।’‌ যদিও বিজেপি’‌র কাশ্মীর শাখার সভাপতি আলতাফ ঠাকুর বলেন, ৭০ বছরে এই প্রথমবার কাশ্মীরে প্রকৃত উন্নয়নের কাজ শুরু হবে।

জনপ্রিয়

Back To Top