আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ গণধর্ষণে অভিযুক্ত। বন্দি রয়েছে তিহার জেলে। পড়াশুনা করার শখ তার। সংস্কৃত নিয়ে বিএ পাশ করার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় অভিযুক্তকে ভর্তি নেয়নি। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এত কম নম্বরে স্নাতকে ভর্তি নেওয়া সম্ভব নয়। 
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, ২০ বছরের ওই অভিযুক্তকে ভর্তি নেওয়ার জন্য একাধিকবার দিল্লি পুলিশের দুই কনস্টেবল তাঁদের অনুরোধ করেছিল। দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষায় মাত্র ৪০ শতাংশ নম্বর পেয়েছে ওই বন্দি। লিখিত বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, এত কম নম্বরে কোনও কলেজে স্নাতকে ভর্তি হওয়া অসম্ভব। 
এক নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে তিহার জেলে গত দু’‌মাস ধরে বন্দি রয়েছে পালাম জেলার বাসিন্দা বাদল। একটি হোটেলে সে ও তার এক বন্ধু গণধর্ষণ করেছিল এক নাবালিকাকে। পকসো আইনে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জানা গেছে, সংস্কৃত নিয়ে পড়ার জন্য একাধিক কলেজে সে আবেদন করেছিল। কিন্তু তা নাকচ হয়ে যায়। এই মামলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার অবশ্য বলছেন, ‘‌জেল থেকে বেরোনোর জন্য বাদল জামিনের আবেদন করেছিল। কিন্তু তা নাকচ হয়ে যায়। তাই জেল থেকে বেরোনোর জন্য সে নতুন ফন্দি বার করেছে। কারণ কলেজে ভর্তি হতে গেলে তাকে অন্তবর্তী জামিন দিতে হবে।’‌ পুলিশ বিষয়টি জানতে পেরেই দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এত কম নম্বরে ভর্তি নেওয়া অসম্ভব। ফলে অন্তর্বর্তী জামিনের সুযোগও আর রইল না বাদলের কাছে। 

জনপ্রিয়

Back To Top