আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ আয়ুর্বেদশাস্ত্রে স্নাতকোত্তর পাশ করলেই অস্ত্রোপচার করতে পারবেন সেই চিকিৎসকরা। এজন্য কিছু সাধারণ অস্ত্রোপচারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে তাঁদের। এমনই নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রের আয়ুষ মন্ত্রক। 
এই নিয়ে দারুণ ক্ষুব্ধ ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (‌আইএমএ)‌। এই নির্দেশিকা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে তারা। তাদের মতে, এটা আসলে চিকিৎসাবিদ্যা এবং প্রয়োগের ‘‌খিচুড়ি’‌ তৈরি হচ্ছে। এর ফলে রোগীর প্রাণের ঝুঁকি বাড়বে।
আয়ুষ মন্ত্রকের অধীনস্থ সেন্ট্রাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ান মেডিসিন (‌সিসিআইএম)‌ ২০ নভেম্বর এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। তাতে ৩৯ ধরনের সাধারণ অস্ত্রোপচার এবং চোখ, কান, গলা সহ ১৯ ধরনের অস্ট্রোপচারে একটি তালিকা দিয়েছে। সেই তালিকাভুক্ত অস্ত্রোপচারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে আয়ুর্বেদ চিকিৎসকদের। তালিকায় টিউমার, সিস্ট অপসারণ, অ্যাম্পিউটেশন (‌গ্যাংগ্রিনের কারণে অঙ্গচ্ছে)‌, ছানি কাটার মতো গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রোপচারও রয়েছে। 
আইএমএ–র মতে এ রকম হলে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন রোগীরাই। কারণ আয়ুর্বেদের পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া একেবারেই আলাদা। চিকিৎসকদের এই সংগঠনের প্রশ্ন, অস্ট্রোপচার করলে রোগীরে কী পদ্ধতিতে অজ্ঞান করা হবে?‌ অস্ত্রোপচারের পরেই বা রোগীর কীভাবে চিকিৎসা হবে?‌ সেক্ষেত্রে কি অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হবে না?‌ সেপসিস রোখার ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেবেন আয়ুর্বেদ চিকিৎসকরা?‌ তাঁদের মতে, এসব বিষয়ে যদি আয়ুর্বেদ চিকিৎসকদের আধুনিক চিকিৎসার ওপরেই নির্ভর করতে হয়, তাহলে তা একটি মিশ্র জটিল প্রক্রিয়া হয়ে যাবে। ‘‌খিচুড়ি’‌র মতো। 

জনপ্রিয়

Back To Top