আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌কনকনে শীতেও পূর্ব লাদাখের পার্বত্য এলাকায় লাল ফৌজের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রস্তুত ভারতীয় সেনা। পাহাড়ি এলাকায় যুদ্ধের অভিজ্ঞতা ভারতের অনেক বেশি। আশঙ্কা বাড়িয়ে হুঙ্কার দিল সেনা বাহিনীর নর্দান কম্যান্ড (‌এনসি)‌। এক মুখপাত্র বলেন, লড়াই না করেই যুদ্ধ জিততে চায় চীন। কিন্তু ওরা যদি যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়, তাহলে উচ্চ–প্রশিক্ষিত এবং মানসিকভাবে প্রস্তুত ভারতীয় সেনার সঙ্গেই ওদের যুদ্ধ করতে হবে। এছাড়াও লাল ফৌজের অধিকাংশ সেনাই শহরের বাসিন্দা। ফলত প্রতিকূল পরিস্থিতিতে যুদ্ধের অভিজ্ঞতা তাঁদের নেই বললেই চলে। সমতলে যুদ্ধ হলে অন্য কথা ছিল!‌
সম্প্রতি চীনা সরকারের মুখপত্র গ্লোবাল টাইমস–এ লেখা হয়, সামরিক সরঞ্জাম এবং যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় রসদ ভারতীয় সেনা বাহিনীর কাছে মজুত নেই। এই পরিস্থিতিতে গোটা শীতে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া ভারতীয় পক্ষে অসম্ভব!‌ এই মন্তব্যের উত্তর দিতে গিয়ে নর্দান বাহিনী বলে,‌ ‘চীনা মুখপত্রের কথায় বিশেষ পাত্তা দেওয়ার দরকার নেই। ড্র‌্যাগন বাহিনী যে এখন ভয় পেতে শুরু করেছে, তা পরিষ্কার।’‌ 
সীমান্ত বিবাদ নিয়ে দু’‌পক্ষের মধ্যেই কূটনৈতিক এবং সামরিক স্তরে বৈঠক চলছে। এর মধ্যে সেনা বাহিনীর উত্তরাংশের শাখার এই বক্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এনসি পরিষ্কার জানাচ্ছে, নভেম্বরের পর থেকেই পার্বত্য এলাকায় বরফ পড়তে শুরু করবে। তাপমাত্রাও মাইনাস ৩০–৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছবে। ওই পরিস্থিতিতে ভারতীয় সেনার দক্ষতা অনেক বেশি। তার সঙ্গে সিয়াচেনে লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা তো আছেই। পাশাপাশি মে মাসে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চীনা আগ্রাসন বাড়তে থাকায় আগে থেকেই সেনা বাহিনীর জন্য ভারী এবং উন্নত মানের অস্ত্র, গুলি, ভালো স্বাস্থ্য পরিষেবা, থাকার ব্যবস্থা, খাওয়া–দাওয়া, ভালো জামাকাপড়ের ব্যবস্থা  করা হয়েছে, সংবাদ সংস্থা পিটিআই–কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানাচ্ছেন নর্দান কম্যান্ডের ওই মুখপাত্র।   

জনপ্রিয়

Back To Top