আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ সাল ২০১৫। পরিচয় পত্রের অভাবে পাকিস্তানে আটকে পড়েছিলেন আট বছর বয়সি ভারতীয় বালিকা গীতা। মূক ও বধির সে। লাহোরে পালিয়ে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছিল তাকে। তারপর একদিন সামঝোতা এক্সপ্রেস থেকে এক ভারতীয় বালিকা উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়ে। কানে যায় ভারতের তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের। সঙ্গে সঙ্গেই পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে যোগযোগ করেন তিনি। সমস্ত রকম আইনি ব্যবস্থা নিয়ে ২০১৫ সালে একার উদ্যোগেই গীতাকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। ২০১৪ সালে প্রথম মোদি সরকারের বিদেশ মন্ত্রী হওয়ার পরে ভিন দেশে আটকে পড়া বহু ভারতীয়কে এভাবেই দেশে ফিরিয়ে এনেছিলেন সুষমা স্বরাজ। মঙ্গলবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। আর তাকে দেশে ফেরানোর মূল কারিগর সুষমার মৃত্যুর খবরেই শোকস্তব্ধ গীতা। যেন নিজের মা–কে হারিয়েছে সে। বর্তমানে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হোস্টেলে থাকে গীতা। সেখানেই সে পড়াশোনা করছে। ওই হোস্টেলের ওয়ার্ডেন জানিয়েছেন, ‘‌সুষমা স্বরাজের মৃত্যুতে কান্না চেপে রাখতে পারছে না গীতা। আমরা তাকে সান্তনা দেওয়ার চেষ্টা করছি। একেবারে অভিভাবকের মতো ছিলেন তিনি।’‌ তারপরেও বহুবার গীতার খোঁজ খবর নিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী। বেশ কয়েকবার হোস্টেলে গিয়ে দেখাও করে এসেছিলেন। 
কারোর ভিসা আটকে যাওয়া থেকে শুরু করে যাঁরা বিদেশে আইনি জটিলতায় পড়ে যখনই সাহায্য চেয়েছেন বিদেশমন্ত্রীর কাছে, প্রত্যেকেই উপকৃত হয়েছেন। দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছেন সুষমা। এহেন ব্যক্তিত্বের মৃত্যুতে সেইসব অভিজ্ঞতার কথাই শেয়ার করছেন প্রত্যেকে।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top