আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ পাকিস্তানকে ‘‌সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্র’‌ বলে উল্লেখ করল ভারত। জেনেভায় রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কাউন্সিলের ৪৫তম অধিবেশনে রীতিমতো তুলোধনা করল ভারতীয় প্রতিনিধি। জানাল, পাকিস্তানের থেকে নমানবাধিকার নিয়ে কোনও জ্ঞান শুনবে না ভারত। কারণ সেদেশে নিত্য মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়। সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার হয়। 
পাকিস্তানের পেশ করা বিবৃতির মঙ্গলবার জবাব দিলেন ভারতীয় কূটনীতিক। অভিযোগ উড়িয়ে এও বললেন, ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যে ভাষণ দেওয়া পাকিস্তানের স্বভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ‘‌যে দেশ নিজেরাই সংখ্যালঘুদের ওপর প্রতিনিয়ত অত্যাচার করে, সন্ত্রাসবাদের  কেন্দ্র, তাদের থেকে মানবাধিকার নিয়ে জ্ঞান শোনা ভারত বা অন্য দেশের প্রাপ্য হতে পারে না। সেই দেশের প্রধানমন্ত্রীই খোদ গর্বের সঙ্গে স্বীকার করেন যে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাস ছড়ানোর জন্য ১০ হাজার জঙ্গিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।’‌
ভারতীয় কূটনীতিক পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের অত্যাচারের বিষয়টিও তুলে ধরেছেন। তাঁর কথায়, ‘‌প্রশাসনিক নীপিড়ন, ধর্মদ্রোহিতা আইন, জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ, খুন, নির্দিষ্ট ধর্মের বিরুদ্ধে হিংসা, পক্ষপাতিত্ব— এসবের দ্বারা সরকার নিশ্চিত করে যাতে সেখানে আদিবাসী এবং সংখ্যালঘুদের কোনও ভবিষ্যৎ না থাকে।’‌ ভারত আরও অভিযোগ করেছে, যে ‘‌পাকিস্তানে হাজার হাজার হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান মেয়েদের অপহরণ, জোরপূর্বক বিবাহ, ধর্মান্তরকরণ করা হয়।’‌ 
বালুচিস্তানে পাক প্রশাসনের অত্যাচারের কথাও তুলে ধরেছে ভারত। জানিয়েছে, সেখানে প্রত্যেকদিন কোনও না কোনও পরিবারের কাউকে অপহরণ করে বা তুলে নিয়ে যায় পাক রক্ষী। সেখানে সাংবাদিক বা মানবাধিকার কর্মীরাও সুরক্ষিত নয়। সেখানে সাংবাদিকরা খুন হলেও তাঁদের খুনী খালাস পেয়ে যায়। পাকিস্তানের পাশাপাশি তুরস্ককেও ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। 
 

জনপ্রিয়

Back To Top