আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ধর্ষক বাবা রামরহিম থেকে শুরু করে আসারাম বাপু। ভণ্ড সাধুর মুখোশ খুলেছে। আপাতত তাদের শ্রীঘরে ঠাঁই হলেও এখনও অসংখ্য ভণ্ড সাধু রয়েছে দেশে। ২০১৯–এর কুম্ভ মেলায় তারা যাতে মানুষ ঠকাতে না পারে সেকারণে আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে যোগী সরকার। সিদ্ধান্ত হয়েছে কুম্ভ মেলায় যে সাধুরা আসবেন তাঁদের সকলের পুলিসি ভেরিফিকেশন করাতে হবে। সেই মতো প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে উত্তর প্রদেশ পুলিস প্রশাসন। 
যোগী সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন অযোধ্যার কয়েকজন সাধু। তাঁরা জানিয়েছেন সরকারের এই সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। কয়েকজন ভণ্ড সাধুর জন্য যে বদনাম হচ্ছে সন্ন্যাসীদের সেটা বন্ধ হওয়া জরুরি। যোগী সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে অনেক সাধারণ মানুষ ভণ্ড সাধু, সন্তদের খপ্পরে পড়বেন না। 
এলাহাবাদের সার্কেল অফিসার আর কে সাও জানিয়েছেন, এই পুলিসি যাচাই শুরু হলে কুম্ভ মেলায় প্রতারণার অভিযোগ অনেকটাই কমে যাবে। ইতিমধ্যেই অখিল ভারতীয় আখাড়া পরিষদ নামে একটি সংগঠন ১৭ জন ভণ্ড সাধুর দুটি তালিকা প্রকাশ করেছে। সংগঠনের দাবি, ২০১৯–এর কুম্ভ মেলার আগে উত্তর প্রদেশ সরকার একটি নজরদারি কমিটি গঠন করুক। যাঁরা সাধুদের কর্মকাণ্ডের উপর নজরদারি চালাবে। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top