আজকাল ওয়েবডেস্কঃ আগে জেলের বাকি আসামীদের খতম করুন, তারপর স্বামীর শেষকৃত্য হবে। হায়দরাবাদ গণধর্ষণ কাণ্ডে পুলিশের গুলিতে খতম এক অভিযুক্তের স্ত্রী গোটা ঘটনায় এভাবেই পুলিশের উপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁর আরও বক্তব্য, গোটা দেশ জুড়ে যেভাবে পুলিশের এই কাজের জন্য বাহবা দেওয়া হচ্ছে তা একেবারেই উচিত নয়। মৃত অভিযুক্ত চেন্নাকেশাভুলুর স্ত্রী রেনুকা বর্তমান পরিস্থিতিতে দাবি জানিয়েছেন, জেলের মধ্যে অনেক আসামীই রয়েছে। তারাও প্রত্যেকে কোনও না কোনও দোষ করেছে। তাদেরও তাঁর স্বামীর মতো মেরে ফেলতে হবে এনকাউন্টারে, তবেই তিনি স্বামীর শেষকৃত্য করবেন। সূত্রের খবর সন্তানসম্ভবা রেনুকা গ্রামের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে রাস্তায় বসেও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাঁর মতে, পুলিশ তাঁর স্বামীর সঙ্গে অন্যায় করেছে, তাই জেলের সমস্ত বন্দিদের না মারা পর্যন্ত চেন্নাকেশাভুলুর আত্মা শান্তি পাবে না।
শনিবার তিনি বলেন, পুলিশ তাঁর স্বামীকে হত্যা করে তাঁকে একাকীত্বের দিকে ঠেলে দিয়েছে। তাই তাঁদের উচিত তাঁকেও মেরে ফেলা। ঘটনার পর রেনুকাকে আশস্ত করে বলা হয়েছিল তাঁর স্বামীর কোনও ক্ষতি হবে না। কিন্তু শেষপর্যন্ত পুলিশের গুলিতে এভাবে মরতে হবে তিনি ভাবতেই পারেননি। মৃত অভিযুক্তর স্ত্রীর সাফ বক্তব্য, তাঁকেও যেন এখন তাঁর স্বামীর কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের সূত্রে খবর, মৃত চার মূল অভিযুক্তরা কেউই খুব ধনী পরিবারের ছিল না, তারা প্রত্যেকেই স্বল্প শিক্ষিত। কিন্তু কাজ করে যে টাকা আয় করত তার অধিকাংশই মদ্যপানের জন্য ব্যয় করত। অন্যদিকে ইতিমধ্যেই দেশের অধিকাংশ সাধারণ মানুষ পুকেলিশের এই এনকাউন্টারে খুশি। হায়দরাবাদের কয়েকজন মহিলা পুলিশের এই সাহসী সিদ্ধান্তের জন্য পুলিশ এবং মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

Back To Top