আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ গত বছর যা খুব একটা শোনা যায়নি, এবার যাচ্ছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরাও। বহু শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। মৃত্যুও যে হয়নি, তা নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তৃতীয় ঢেউয়ে সবথেকে বেশি আক্রান্ত হবে এই শিশুরাই। কিন্তু কীভাবে বোঝা যাবে, শিশুরা আক্রান্ত হয়েছে?‌ কারণ বেশিরভাগ শিশুরই কোনও উপসর্গ থাকছে না (‌অ্যাসিম্পটোম্যাটিক)‌। থাকলেও তা সামান্য। একথা টুইটারে জানিয়েছে খোদ স্বাস্থ্য মন্ত্রক।
• অ্যাসিম্পটোম্যাটিক কী?‌
করোনার কোনও উপসর্গ থাকছে না। থাকলেও সামান্য। এসব রোগীরা অজান্তেই ১৪ দিনে বহু মানুষকে সংক্রামিত করে। প্রি–সিম্পটোম্যাটিকদের আবার প্রথম দিকে কোনও উপসর্গ থাকে না। পরের দিকে জ্বর, সর্দি, কাশি বাড়ে। অনেকের পরিণতি ভয়ঙ্কর হয়ে দাঁড়ায়।
• শিশুদের মধ্যে কোভিডের উপসর্গ কী?‌
জ্বর
সর্দি 
কাশি
ডায়রিয়া
নিঃশ্বাসের কষ্ট
নাক দিয়ে মিউকাস পড়া
ক্লান্তি
গলায় ব্যথা
পেশিতে যন্ত্রণা
স্বাদ, গন্ধ চলে যাওয়া
• কীভাবে কোভিড আক্রান্ত বাচ্চাদের সামলাবেন?‌
যাদের উপসর্গ নেই, তাদের বাড়িতে রেখেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। মূলত পরিবারের অন্য কারও কোভিড সংক্রমণ ধরা পড়লে তখন বাকিদের টেস্ট হয়। সেসময়ই এই শিশুদের সংক্রমণের কথা ধরা পড়ে। ধরা পড়ার পর শিশুদের ওপর নজর রাখতে হবে।
যেসব শিশুর সামান্য উপসর্গ রয়েছে, যেমন গলা ব্যথা, সর্দি, কাশি, তাদের বাড়িতেই আইসোলেশনে রাখতে বলেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। চিকিৎসক বললে টেস্ট করাতে হবে। 
যেসব শিশুর লিভার, হার্ট বা অন্য সমস্যা রয়েছে, তাদের বাড়িতে রেখেই প্রথম থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে।


 

জনপ্রিয়

Back To Top