আজকাল ওয়েবডেস্ক: সদ্য শেষ হয়েছে অসমের বিধানসভা ভোট। আর একুশের অসম বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে বিজেপি প্রার্থীরা। অসমে প্রথম বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠার পিছনে ২০১৬ তেও মূল ভূমিকা ছিল হিমন্ত বিশ্বশর্মার। এনআরসি ইস্যুতে অসমে বিজেপি কিছুটা চাপে থাকলেও তা সামলে নেন হিমন্ত বিশ্বকর্মা। আর এবারেও অসমে বিজেপিকে ফের জেতানোর মূলে রয়েছে তাঁর দক্ষ সংগঠন। আর ফলস্বরূপ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবার হিমন্ত বিশ্বশর্মাকেই এবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করেছে। আইনের ছাত্র ছিলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডিও সম্পন্ন করেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। একসময়ে কংগ্রেসের দাপুটে নেতা ছিলেন। অসমে কংগ্রেস সরকারে থাকাকালীনও তিনি মন্ত্রী ছিলেন। মন্ত্রী হিসেবে যথেষ্ট সুনামও ছিল তাঁর। হিমন্ত মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় বেশ খুশি তাঁর পরিবারের লোকজন। হিমন্তের স্ত্রী রিনকি বলেন, ‘কলেজ জীবনে থাকাকালীনই হিমন্ত আমায় জানিয়েছিল যে ও অসমের মুখ্যমন্ত্রী হবে। তখন আমার বয়স ১৭ আর হিমন্তের বয়স ছিল ২২। একদিন আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম মাকে গিয়ে কী বলব যে তুমি কী হতে চাও? উত্তরে হিমন্ত জানিয়েছিল মাকে জানিও যে আমি অসমের মুখ্যমন্ত্রী হব। এই উত্তর পেয়ে আমি চমকে উঠেছিলাম। অসম রাজ্যের জন্য মন থেকে ভাবে, চিন্তা করে যাতে অসমের সমস্ত নাগরিককে আরও উন্নত পরিষেবা দিতে পারে। অসমকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে হিমন্ত। অত্যন্ত পরিশ্রমী ও। তাই যতই বাধা বিপত্তি আসুক না কেন ও সেটা জয় করতে জানে।’ হিমন্তের স্ত্রী রিনকি বলেন, যখন আমাদের বিয়ে হয় তখন ও শুধু বিধায়ক ছিল। আগামীদিনে যে ও লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে তা আমি বিশ্বাস করতাম।

জনপ্রিয়

Back To Top