আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বৃহস্পতিবারই লোকসভায় সাংসদ হেমা মালিনী বলেছেন, ‌বৃন্দাবন এবং মথুরার বাঁদররা নাকি ক্রমশ মানুষের খাদ্যাভাস গ্রহণ করছে। ফল খাওয়া ছেড়ে দিয়ে তারা নাকি সিঙারা–ফ্রুটি খাচ্ছে। শুধু তাই নয়, মথুরায় সাধারণ মানুষও বাঁদরদের অত্যাচারে অতিষ্ট এবং কয়েকজন প্রাণও হারিয়েছেন। বাঁদরদের নিরাপত্তার জন্যই মথুরায় ‘‌মাঙ্কি সাফারি’‌ চালু করার দাবি জানিয়েছেন হেমা। তাঁকে সমর্থন জানান তৃণমূল সাংসদ সুদীপ ব্যানার্জিও। 
বৃহস্পতিবার সংসদে দূষণ নিয়ে বিতর্ক সভায় অংশ নিয়েছিলেন হেমা। লোকসভায় ২৫ সাংসদের তিনিও একজন, যিনি শেষমেশ এই বিতর্ক থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। গোটা দেশ বিশেষ করে রাজধানীতে দূষণ দিনদিন বাড়ছে। তা নিয়ে রাজনীতিকদের যে বিশেষ হেলদোল নেই তা হেমার মন্তব্যেই পরিস্কার। দূষণ নিয়ে বিতর্ক সভায় হেমা মালিনী বলেন, ‘‌যাঁরা দিল্লিতে থাকেন। দূষণে তিতিবিরক্ত। তাঁরাই বিতর্কে অংশ নিয়েছেন। এটা বড় কারণ বুঝতে পারছি। তবে আমার মতো যাঁরা মুম্বইতে থাকেন, তাঁদের কাছে দূষণটা সমস্যা নয়। তাই আমাদের দূষণ নিয়ে বড় একটা আগ্রহ নেই।’‌
এটা ঘটনা বাণিজ্যনগরীতে দূষণের মাত্রা রাজধানীর মতো ভয়াবহ নয়। কিন্তু গোটা দেশে দূষণের মাত্রা যেভাবে বাড়ছে তাতে চিন্তা বাড়ছে সকলের। সেখানে একজন সাংসদ কীভাবে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তার উপর হেমা মালিনী নগর উন্নয়ন সংসদীয় কমিটিতে রয়েছেন। যে কমিটি দূষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কাজ করে। তাই হেমার এই মন্তব্যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। 

জনপ্রিয়

Back To Top