আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ পিএনবি দুর্নীতিকাণ্ডে আরও গ্রেপ্তারি। মঙ্গলবার মুম্বই বিমানবন্দর থেকে গীতাঞ্জলি গ্রুপ অফ কোম্পানিসের ভাইস প্রেসিডেন্ট বিপুল চিটালিয়াকে গ্রেপ্তার করল সিবিআই। গ্রেপ্তারির পর তাঁকে মুম্বইয়ের বান্দ্রা–কুরলা কমপ্লেক্সে সিবিআই অফিসে নিয়ে গিয়ে জেরা করা হয়। তবে এই দুর্নীতিতে চিটালিয়ার ভূমিকা এবং তাকে কী নিয়ে জেরা করা হয়েছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি সিবিআই অফিসাররা।
অন্যদিকে, নীরব মোদির বিদেশের কোম্পানি সম্পর্কে নতুন তথ্য মিলল। সিবিআই প্রাথমিক তদন্তে বলেছিল, পিএনবি থেকে প্রায় ১২,০০০ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে বিদেশে তাঁর সরবরাহকারীদের দেনা মিটিয়েছিলেন নীরব মোদি। দুবাইয়ের এরকম দুটি কোম্পানি– ট্রাইকালার জেমস্‌ এফজেডই এবং পেসিফিক ডায়মন্ডস এফজেডই–র নামও সিবিআই এফআইআর–এ লিখেছে। কিন্তু নতুন তথ্যে জানা যাচ্ছে, এই দুটি কোম্পানিরই কোনও ওয়েবসাইট নেই। ফোনও ধরছে না কেউ। কোম্পানির অস্তিত্বই যেখানে নেই, তাহলে যে কোম্পানির ধার চোকানোর জন্য পিএনবি থেকে ঋণ নিয়েছিলেন মোদি, সেই টাকা গেল কোথায় উঠছে সেই প্রশ্ন। ওই কোম্পানি দুটি মোদির আমেরিকার তিনটি কোম্পানির মধ্যে অন্যতম এ জ্যাফি–র ঋণদাতা। দেখানো হয়েছে ট্রাইকালার জেমস্‌ ৩.‌৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং পেসিফিক ডায়মন্ডস ২.‌৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পায় এ জ্যাফির কাছ থেকে। গত সপ্তাহেই নিউ ইয়র্কের দেউলিয়া আদালত বা ব্যাঙ্করাপ্সি কোর্টে আবেদন করে নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করেছে এ জ্যাফি। এ জ্যাফি আদালতে বলেছে তার লোকসান হয়েছে প্রায় ১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অথচ সে নীরব মোদি ইনকর্পোরেশনকে ঋণ দিয়েছে ১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। নিউ ইয়র্কে মোদির কোম্পনির আইনজীবীদের ই–মেলের জবাব মেলেনি। গত শুক্রবারই নিউ ইয়র্কের আদালত মোদির ঋণদাতাদের অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়ে বলেছে, খাতকদের থেকে ঋণ আদায়ের জন্য কোনও রকম পদক্ষেপ যেন না নেওয়া হয়।    

জনপ্রিয়

Back To Top