আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের পর এবার বিহারেও। এলাকার এক চিকিৎসককে গাছের সঙ্গে বেধে তাঁর চোখের সামনেই স্ত্রী ও ১৫ বছরের মেয়েকে গণধর্ষণ করল একদল দুষ্কৃতী। ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার বিহারের গয়া জেলার সনদিহা গ্রামে। পুলিশ সূত্রে খবর, স্ত্রী–মেয়ে সহ বাইকে চেপে চেম্বার থেকে ফিরছিলেন ওই চিকিৎসক। তখনই রাস্তায় গাড়ি আটকে পাশের ফাঁকা জমিতে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসকের স্ত্রী ও মেয়েকে গনধর্ষণ করে ওই দুষ্কৃতীরা। পুলিশের ধারণা, ওই দুষ্কৃতীরা সনদিহা গ্রাম কিংবা তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের বাসিন্দা। গয়ার এসএসপি রাজিব মিশ্র জানিয়েছেন, ‘‌সনদিহা ও পার্শ্ববর্তী দুটো গ্রামে তল্লাশি চালিয়ে আমরা ২০ জনকে ধরে হেপাজতে রেখেছি। তাদের মধ্যে দু’‌জনকে চিকিৎসকের পরিবার শনাক্ত করতে পেরেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করেছে ওই দুজন।’ দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে স্থানীয় থানার পুলিশ আধিকারিক রাজীব রঞ্জনকে সাসপেন্ড করা হয়। পাটনার আইজিপি নাইয়ার খান জানিয়েছেন, আশেপাশের সমস্ত এলাকাতে তল্লাশি চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকি দুষ্কৃতীদেরও গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে। ঘটনাটির পরের দিন একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে চিকিৎসকের স্ত্রী জানিয়েছেন, ‘‌আমি হাত জোর করে বলেছিলাম, টাকাপয়সা, সোনা–গয়না নিয়ে যাও। কিন্তু ওরা আমার ও আমার মেয়ের সর্বনাশ করে ছাড়ল।’‌
বিরোধী দলনেতা, তেজস্বী যাদব বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘‌বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়েই রাজ্যের আইন–শৃঙ্খলার এমন হাল হয়েছে।’‌ ‌   ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top