আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌অযোধ্যা মামলায় রায়দান এগিয়ে আসছে। তার আগে শান্তিরক্ষার আহ্বান জানালেন হিন্দু-মুসলিম উভয়পক্ষের ধর্মীয় সংগঠনের নেতারা। শুক্রবার নমাজের আগে সাধারণ মানুষের কাছে শান্তিরক্ষার আহ্বান জানালেন উত্তরপ্রদেশের শীর্ষস্তরের মুসলিম ধর্মগুরুরা। লখনউয়ের শাহি ইমাম, ইসলামিক সেন্টার ফর ইন্ডিয়ার সভাপতি এবং অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনেল ল’‌ বোর্ডের সদস্য খালিদ রশিদ ফিরাঙ্গি মহালি শান্তিরক্ষার আহ্বান জানান। লখনউ ইদগাহের ৫০০ জনের একটি জমায়েতে তিনি বলেন, ‘‌সুপ্রিম কোর্ট যাই বলুক না কেন, তাকে সম্মান জানাতে হবে। কোনও উদযাপন বা প্রকাশ্য বিরোধিতা হবে না। অন্য সম্প্রদায়ের মানুষকে আঘাত করার মতো কিছু করা যাবে না। যে কোনও মূল্যে আমাদের শান্তিরক্ষা করতে হবে।’‌ 
একটি বিবৃতিতে খালিদ রশিদ ফিরাঙ্গি মহালি বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক ঐক্য কোনও ভাবেই নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।  টুইটার হ্যাণ্ডেল থেকে পোস্ট করে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ জানায়, ‘‌রায় যাই হোক, খোলা মনে সেই রায় সবার মেনে নেওয়া উচিত। রায় ঘোষণার পর সবার দায়িত্ব থাকবে, দেশের অবস্থা যেন ঠিক থাকে, তা পালন করা।’‌ সুপ্রিম কোর্টের রায় মাথায় রেখে নভেম্বরে সমস্ত কর্মসূচী বাতিল করেছে বিশ্বহিন্দু পরিষদ। লখনউ এর শাহি ইমাম বলেন, ‘‌সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষই শান্তির আবেদন জানাচ্ছেন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যাতে বজায় থাকে, আমরা সকলে মিলে তার চেষ্টা করছি।’‌
শুক্রবার বিকেলে অযোধ্যায় যান উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক। ১৪ দিন পরেই অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণার সম্ভাবনা। তার আগে সেখানকার নিরাপত্তাব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন তিনি। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, অযোধ্যায় গ্রামস্তরেও সভা করা হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় উভয়সম্প্রদায়ের সঙ্গে বৈঠক করে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, আগামী কয়েকদিনে অযোধ্যায় পুলিশ এবং আধা সামরিক বাহিনীর বিশাল সংখ্যক জওয়ান মোতায়েন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এডিজি পিভি রামা শাস্ত্রী বলেন, ‘আগামী কয়েকদিনে আমরা ওখানে অতিরিক্ত বাহিনী পাঠাব। তাঁদের প্রশিক্ষণ দেব।’‌

জনপ্রিয়

Back To Top