আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ চূড়ান্ত অমানবিকতা। মানুষে মানুষে হানাহানি ছিলই। এবার শিকার পথের কুকুরও। এর আগেও সারাদেশ থেকে প্রাণীকুলের ওপর নৃশংসতার ঘটনা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছিল। এনআরএসে কুকুর পিটিয়ে মারার ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য। কিছুটা সেই কায়দায় বেঙ্গালুরুতে পিটিয়ে মারা হচ্ছে সারমেয়কুলকে। একটি নয়, পরপর তিনটি এমন ঘটনা ঘটেছে তথ্যপ্রযুক্তির শহরে। প্রথমে খবর আসে, নিমহ্যানসের এক অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক রাস্তায় একটি মেয়ে কুকুরকে গুলি করে মেরে ফেলেছেন। এরপর খবর পাওয়া যায়, অজ্ঞাতপরিচয় লোকেরা একটি কুকুরকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে মেরে খুন করেছে। শেষ খবর আসে বুধবার, ৪ তারিখ। নাগারাজ লেআউটে ঘটে যায় এক নির্মম ঘটনা। তিনটি কুকুরছানাকে লোহার রড দিয়ে মেরে ফেলতে চেষ্টা করে কয়েকটি ছেলে। সেদিন এক মাস বয়সের তিনটি কুকুরছানা ঘুমিয়েছিল একটি ঝোপের আড়ালে। সাত থেকে পনেরো বছর বয়সের চারটি ছেলে তাদের লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়তে থাকে। কুকুরের বাচ্চাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা বেরিয়ে এসে দেখেন, দুটো ছেলে পাথর ছুঁড়ছে, আর দুটো ছেলে একটি বাচ্চাকে ঝোপ থেকে টেনে বের করে আনছে। স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানালে তারা পালিয়ে যায়। সন্ধ্যেবেলা আবার ছেলেগুলো এসে কুকুরছানাদের আঘাত করতে থাকে। আবারও স্থানীয়রা এসে পড়লে তারা পালিয়ে যায়। কুকুরছানাগুলোর মধ্যে একটির অবস্থা খুব খারাপ হওয়ায় স্থানীয়রা তাকে নিয়ে যান হাসপাতালে। এখানেই শেয় নয়। ছেলেগুলো যেন নিষ্ঠুরতার চরমে পৌঁছে গিয়েছিল। পরদিন সকালে লোহার রড এবং পাথর দিয়ে আবার আঘাত করে বাচ্চাগুলোকে। স্থানীয়ইয়রা চেষ্টা করলেও তাদের ধরতে পারেননি। স্থানীয়রা জানান, একটা ছানার চোয়াল ভেঙে গিয়েছিল আর একটা ছানার মাথা থেকে রক্ত পড়ছিল।’ শুক্রবার কয়েকজন স্থানীয় বাসীন্দা হোয়াইট‌ ফিল্ড থানায় চারজন অজ্ঞাতপরিচয় ছেলের নামে এফআইআর দায়ের করেন। পুলিশ চেষ্টা করছে ঐ অঞ্চলের সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে দোষীদের ধরতে। বেঙ্গালুরুর পশু হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ লোহিথ জানান, ‘‌একটি কুকুর ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছে, তার অনেকগুলি আঘাত আছে শরীরে। বাকি দুটি কুকুর এখন ঠিক আছে।’‌  ‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top