আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ভোটের মাঝে মুঙ্গেরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন নির্বাচন কমিশন। উত্তপ্ত পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ব্যর্থ জেলাশাসক রাজেশ মিনা এবং পুলিশ সুপার লিপি সিং, এই অভিযোগে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সাতদিনের মধ্যে গোটা ঘটনার বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। দুর্গাপুজোয় প্রতিমা বিসর্জনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনও থমথমে মুঙ্গের। বৃহস্পতিবার জায়গায় জায়গায় হিংসার ঘটনা ঘটেছে। একাধিক পুলিশ ফাঁড়িতে আগুন লাগানোর পাশাপাশি সরকারি আধিকারিকদের অফিস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ২৬ অক্টোবরের ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে নির্বিচারে লাঠি, এমনকি গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় প্রাণ গেছে একজনের। তারপরই সেখানকার পরিস্থিতি হঠাৎ ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় জেলার সাব–ডিভিশনাল এবং এসপির অফিস। পোড়ানো হয় একাধিক পুলিশের গাড়ি।
 পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ডিএম এবং এসপিকে অপসারিত করে নতুন পদাধিকারীদের শীঘ্রই নিয়োগের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি মগধের ডিভিশনাল কমিশনার অসঙ্গা চৌবার নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই কমিটি ৭ দিনের মধ্যে গোটা ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠাবে। 
বৃহস্পতিবার পুলিশ সুপার লিপি সিং–এর শাস্তির দাবিতে কোতোয়ালি, কাশিমবাজারের পুলিশ স্টেশনে বিক্ষোভ দেখান প্রতিবাদীরা। রাজিব চকে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ চলে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। 

জানা গিয়েছে, ক্ষমতাসীন জেডিইউ–র রাজ্যসভার সাংসদ আরসিপি সিং–এর কন্যা ওই এসপি লিপি সিং। আর সেই কারণেই বিহারের নীতীশ সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে মুঙ্গেরে পুলিশি বর্বরতাকে জালিয়ানওয়ালাবাগের সঙ্গে তুলনা করতে শুরু করেছে বিরোধী দল আরজেডি। এদিকে আবার বেগুসরাই–এর সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলছেন, অভিযুক্তদের যতই উঁচু পর্যন্ত যোগাযোগ থাকুক না কেন, দোষ প্রমাণিত হলে তাঁরা শাস্তি পাবেনই।

জনপ্রিয়

Back To Top