আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ চিকিৎসায় চূড়ান্ত অবহেলার নজির তৈরি করল ছত্তিশগড়ের এক সরকারি হাসপাতাল।  দুর্ঘটনায় আহত রোগীর ক্ষত খুবলে খেল পিঁপড়ে।  ১২ দিন ধরে হাসপাতালের বেডেই চূড়ান্ত অবহেলায় শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হল সেই রোগীর। খবরটি প্রকাশ্যে আনেন স্থানীয় এক সমাজসেবী। তিনিই সাংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের খবর দেন। সাংবাদিকরা খবর করতে গেলে দায় এড়িয়ে যায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেখানকার এক মেডিকেল অফিসার মুকেশ কুমার হেলা বলেন, ‘‌বর্ষাকালের জন্য সর্বত্র পিঁপড়ে নাকি ঘুরে বেরাচ্ছে। হয়তো সেকারণেই রোগীর ক্ষতর কাছে একটি বা দুটি পিঁপড়ের দেখা মিলেছিল।

এই হাসপাতালে সেরকম ওয়ার্ড বয় নেই যে রোগীর দিকে সর্বক্ষণ নজর রাখবে। হয়তো গ্লুকোজ দেওয়ার কারণেই পিঁপড়ে উঠেছিল। তবে কোনও রকম অবহেলা নাকি রোগীকে করা হয়নি।’‌
জুনের ২৮ তারিখে মহেন্দ্রগড় প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বাইরে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল ওই রোগীকে। তাঁর মাথা ফেটে রক্ত বেরোচ্ছিল। কিন্তু কেউ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভেতরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেননি। মহেন্দ্রগড়ের বিধায়ক শ্যাম বিহারি জয়সোয়ালের উদ্যোগে সেই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ওই ব্যক্তির প্রাথমিক চিকিৎসার পর সরকারি হাসপাতালে অ্যাম্বলেন্সে ৫০ কিলোমিটার দূরের এই সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানেই গত ১২ দিন ধরে চূড়ান্ত অবহেলায় পড়ে ছিলেন রোগী। তার পরেই মৃত্যু হয় তাঁর।   

জনপ্রিয়

Back To Top