আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‌মন্দির–মসজিদ–চার্চ–গুরুদ্বার যেখানেই যাই না কেন, ভগবানের মুখ দর্শনের পর এবং তাঁর প্রসাদ খাওয়ার পর মনে এক শান্তি পাওয়া যায়। কিন্তু এবার থেকে ভগবানের প্রাসাদেও কড়া নিয়ম জারি করতে চলেছে ফ্যাসাই। ভগবান–আল্লার প্রসাদ এবার থেকে হতে হবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে। আর প্রসাদ নেওয়ার আগে অবশ্যই এক্সপায়ারি ডেট লেবেলটায় চোখ বুলিয়ে নেবেন। সোমবারই এ সংক্রান্ত চিঠি দেশের বিভিন্ন উপাসনাগৃহে পাঠিয়েছেন ফুড প্যানেলের শীর্ষ অধিকর্তা। দেশের সমস্ত ধর্মীয় পীঠস্থানগুলিকেই ফ্যাসাইয়ের 'ভোগ' প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। 
ভোগ বা প্রসাদ যাতে স্বাস্থ্যসম্মত হয় সেদিকে নজর রাখবে ফ্যাসাই। সে কারণে মন্দির–মসজিদের রান্নাঘরও যাতে পরিষ্কার থাকে সেটা দেখার দায়িত্ব মন্দির–মসজিদ কর্তৃপক্ষের। রান্নাঘরেই তৈরি হয় ভোগ বা প্রসাদ, যা ভক্তদের মধ্যে পরে বিতরণ করা হয়। ফ্যাসাই ইতিমধ্যেই ফুড সায়েন্টিস্ট এবং টেকনোলজিস্ট ইন্ডিয়ার (‌অ্যাফস্টি)‌ সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে। মুম্বইয়ের সিদ্ধি বিনায়ক মন্দির এবং সিরডির সাই প্রসাদালয়ের দায়িত্বে রয়েছে এই অ্যাফস্টি। ফ্যাসাইয়ের সিইও পবন আগরওয়াল জানান, দিল্লির ছত্তরপুর মন্দির, অক্ষরধাম, হনুমান মন্দির, ইসকন, বিড়লা মন্দির, গুরুদ্বার, বিভিন্ন চার্চ এবং মসজিদ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ভোগ যে রান্নাঘরে হয় তার স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি জানান, দেশের ৩০ কোটি মানুষ মন্দির–মসজিদ–চার্চে যান এবং প্রসাদ গ্রহণ করেন। তাই তাঁদের স্বাস্থ্যের দিকটা দেখাও ফ্যাসাইয়ের কর্তব্য।  
দেশের বেশ কিছু জনপ্রিয় উপাসনাগৃহে ফ্যাসাই বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। রান্নাঘরে ভোগ রান্না করার সময় কি কি নির্দেশিকা মেনে চলা উচিত সেটাও ফ্যাসাই মন্দির–মসজিদ কর্তৃপক্ষকে জানাবে।   

 

 

 

গুরুদ্বারের লঙ্গরে খাবার পরিবেশন হচ্ছে।


 

জনপ্রিয়

Back To Top