আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ প্রবল বৃষ্টি আর তার জেরে ধসে বিপর্যস্ত সারা দেশের পাঁচ রাজ্য। সব থেকে খারাপ অবস্থা মহারাষ্ট্র, কেরল এবং কর্নাটকের। রবিবার পর্যন্ত কেরলে ৬০ জন, কর্নাটকে ৩১ জন এবং মহারাষ্ট্রে ৩০ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আজ কর্নাটকের বেলাগাভি জেলায় মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়াদুরিয়াপ্পার সঙ্গে আকাশপথে বন্যা পরিস্থিতি ঘুরে দেখবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমত শাহ্‌। 
কেরলের মালাপ্পুরম, কোঝিকোড় এবং ওয়ানাড় থেকে ৯৮৮টি ত্রাণশিবিরে রাখা হয়েছে এক লক্ষেরও বেশি মানুষকে। কেরলের আটটি জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি রয়েছে। দুদিন বন্ধ থাকার পর রবিবার বিকেল থেকে কোচি বিমানবন্দর ফের চালু হল। কারোয়ারে ধস নামায় কোঙ্কন রেল সব ট্রেন বাতিল করে দিয়েছে। ১৫ তারিখ পর্যন্ত কেরলের সব স্কুল, কলেজ বন্ধ। রবিবার সকালে মালাপ্পুরমের কাভালাপ্পারায় ধস নামে। ৬৩ জন চাপা পড়েছে বলে আশঙ্কা।

তাদের মধ্যে ২০ জন শিশু। জোরকদমে চলছে উদ্ধারকাজ। এপর্যন্ত ৯টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। কর্নাটকের ৯২৪টি ত্রাণশিবিরে ২.‌১৮ লক্ষ মানুষ রয়েছেন। নিরাপদ স্থানে সরানো কমপক্ষে ৩.‌১৪ মানুষকে। নিখোঁজ ১৪ জন। 
মহারাষ্ট্রের কোলাহ্‌পুর জেলার সাঙ্গলিতে জল কিছুটা নেমেছে। বিকেলের পর থেকে মুম্বই–বেঙ্গালুরু রাজ্য সড়ক খুলে দেওয়া হতে পারে। এখনও ১০ জন নিখোঁজ বলে জানিয়েছেন পুনের জেলাশাসক। কৃষ্ণা নদী উপচে দুলক্ষ হেক্টর কৃষিজমির ফসল জলের তলায়। উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে এসডিআরএফ–এর ৮৫টি দল। গুজরাটের তাপী নদীর জল উপচে যাওয়ায় উকাই বাঁধের ২২টি গেটের ১৩টি খুলে দিয়েছে বাঁধ কর্তৃপক্ষ। ফলে প্লাবিত সুরাট। দুই শতাধিক মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে। ওড়িশার বিশেষ ত্রাণ কমিশনার রাজের বিভিন্ন দপ্তরকে বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আগামী সাতদিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে। ওড়িশার মোট ৯টি জেলায় বন্যায় বিশাল ক্ষতি হয়েছে।
ছবি:‌ এএনআই      

জনপ্রিয়

Back To Top