আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ চলতি অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতির বহর ৪.‌৫% সঙ্কুচিত হবে। করোনা আবহে মন্দার ইঙ্গিত দিয়ে পূর্বাভাষ দিল বণিকসভা ফিকি। সম্প্রতি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নরও জানিয়েছেন, আনলক পর্বে অর্থনীতির চাকা ঘুরতে শুরু করলেও মাঝারি মেয়াদে ঘুরে দাঁড়ানো নিশ্চিত নয়। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি ঋণাত্মত হতে পারে, সেই ইঙ্গিতও দিয়ে দিল ফিকি। জুনের ইকোনমিক আউটলুক সমীক্ষায় বণিকসভা জানাচ্ছে, ২০২০–’‌২১ অর্থবর্ষে আর্থিক বৃদ্ধি (‌–)‌‌৬.‌৪– ১.‌৫% হতে পারে। করোনার জেরে বড় ধাক্কা খেয়েছে শিল্পোৎপাদন। এই অর্থবর্ষে শিল্প এবং সার্ভিস সেক্টরে উৎপাদন যথাক্রমে ১১.‌৪% এবং ২.‌৮% সঙ্কুচিত হতে পারে, জানিয়েছে ফিকি। তবে কৃষি উৎপাদন বাড়বে ২.‌৭%। সমীক্ষায় জানানো হচ্ছে, লকডাউনে কৃষিকাজ বিশেষ বাধা পায়নি। বর্ষাও সময়মতো দেশে ঢুকেছে। ফলে শস্য ফলন ভাল হয়েছে এবছর। 
এপ্রিল–মে মাসে রুজিরুটি হারিয়েছেন বহু মানুষ। কমেছে মানুষের খরচের ক্ষমতা। ফলে বাজারে জোগানের অভাব যেমন স্পষ্ট, তেমনই চাহিদা কবে ফিরবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। সব মিলিয়ে কবে অর্থনীতির চাকা স্বাভাবিক ছন্দে ঘুরতে শুরু করবে, বলতে পারছে না ফিকি। বণিকসভার দাবি, বাজারের টালমাটাল পরিস্থিতির কারণে নতুন বিনিয়োগ নেই। এই পরিস্থিতিতে যদি সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়, ক্ষত আরও গভীর হবে। বিনিয়োগ, চাহিদা যখন তলানিতে, তখন সরকারি ব্যয়ই একমাত্র ভরসা। এদিকে সরকারি রাজকোষও খালি হচ্ছে। ঋণের বোঝার পাশাপাশি রাজস্ব আদায় কমেছে সরকারের। তবুও ফিকির সমীক্ষায় অর্থনীতিবিদদের একাংশ জানিয়েছেন, আরও একটি আর্থিক স্টিমুলাস প্রয়োজন। পাশাপাশি বাজারে চাহিদা বাড়াতে ফের রেপো রেট কমাক রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, চাইছেন অনেকে।   

জনপ্রিয়

Back To Top