আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ করোনাভাইরাস দেশে বড় আকার ধারণ করতেই মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং গ্লাভস্‌–এর আকাল দেখা দিয়েছে। মাস্কের দাম কোথাও ৫০, তো কোথাও ৭০। আর অ্যালকোহলযুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার তো এখন ডুমুরের ফুল। আর যদিও বা কোথাও মিলছে তার দাম আকাশছোঁয়া। আর এসব ডামাডোলের মধ্যেই অবৈজ্ঞানিকভাবে তৈরি মাস্ক এবং জাল স্যানিটাইজারের চল বেড়েছে বাজারে। সেভাবেই হায়দরাবাদ থেকে ১৮৮ বোতল জাল স্যানিটাইজার বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ। হায়দরাবাদের অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার চক্রবর্তী গুম্মি জানালেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দক্ষিণ জোন টিমের কমিশনার্স টাস্ক ফোর্স, হায়দরাবাদ থানা, মিরচওক থানা এবং ভবানীনগর থানার পুলিশ শুক্রবার অভিযান চালিয়েছিল মিরচওকের মুরাদ মহল রোড এবং হায়দরাবাদের একটি ওষুধের দোকানে। সেখান থেকে ১৮৮ বোতল নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার বাজেয়াপ্ত করে তারা। যার বাজারমূল্য ২০০০০ টাকা। গ্রেপ্তার করা হয়েছে চারজনকে। ধৃতরা হল মহম্মদ শাকিলউদ্দিন, সৈয়দ আজহর হুসেন, আবদুল ওয়াজিদ এবং মহম্মদ আবদুল ওয়াসি। গুম্মি আরও জানালেন, শাকিলউদ্দিন এবং আজহর হল ওয়াজিদ এবং ওয়াসির ক্রেতা। মুঘলপুরায় ওয়াজিদ এবং ওয়াসির বাড়ি থেকে ওই নকল স্যানিটাইজারগুলো কিনে বাইরে চড়া দামে তা স্থানীয় ওধুষের দোকান এবং সাধারণ মানুষকে বিক্রি করত তারা।  একটি হোমিওপ্যাথিক ক্লিনিকে কাজ করার সূত্রে ওষুধের মিশ্রন ভালোভাবেই জানত ওয়াজিদ। সেটাকেই ভিত্তি করে বাড়ির জিনিসপত্র দিয়ে নকল স্যানিটাইজার তৈরির কাজে লাগিয়েছিল। তারপর মেডিক্যাল বোর্ডের অনুমতি ছাড়াই সেগুলো বিক্রি করছিল। তাদের জেরা করে এই নকল স্যানিটাইজার তারা কোথায় কোথায় সরবরাহ করেছে এবং এই চক্রের  সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ছবি:‌ এএনআই  ‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top