আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ রবিবার কুমারস্বামী বলেছিলেন, তিনি ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকতে চান না। তাঁর কথায়, ‘‌আমার একমাত্র উদ্দেশ্য বিধানসভায় বিতর্কের মাধ্যমে সারা দেশকে বোঝানো, কীভাবে বিজেপি গণতন্ত্র তথা সরকারকে ধ্বংস করতে চায়। অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগ, শাসক জোটের বিধায়করা দীর্ঘ বক্তৃতা দিয়ে আস্থাভোটে দেরি করিয়ে দিচ্ছেন।
এদিকে, সোমবার সন্ধ্যের দিকে মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামীর ইস্তফার জল্পনা ছড়ায়। এমনকী বেঙ্গালুরুতে ভাইরাল হয়ে যায় কুমারস্বামীর ইস্তফাপত্রের একটি ছবিও। জল্পনা ছড়ায়, নিজে ইস্তফা দিয়ে কংগ্রেসের কোনও নেতাকে মুখ্যমন্ত্রী চান কুমারস্বামী। যদিও, শেষপর্যন্ত সেই জল্পনায় জল ঢালেন কুমারস্বামী নিজেই। তাঁর দাবি, যে ইস্তফাপত্রটি ভাইরাল হয়েছে তা ভুয়ো। রাতে বিধানসভায় চিঠি তুলে ধরেন কুমারস্বামী। চিঠিটি মুখ্যমন্ত্রীর জাল ইস্তফাপত্র! 
সেই ইস্তফাপত্রে লেখা ছিল, ‘‌আমার ব্যক্তিগত কারণে আমি ইস্তফা দিচ্ছি। মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে আমি ইস্তফা দিচ্ছি। দয়া করে আমার ইস্তফাপত্র গ্রহণ করুন এবং আমাকে কর্নাটক মন্ত্রিসভা থেকে মুক্তি দিন।’‌ এই চিঠিই ভাইরাল হয়ে যায়। যাতে বেজায় চটেছেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। এই ইস্তফাপত্র কাণ্ড তিনি সরাসরি অস্বীকার করেছেন। এমনকী মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় থেকেও বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‌অসম্মান করতেই বিজেপি এই কাজ করেছে। এই নাটক সবার সামনে ধরা পড়ে গিয়েছে।’‌ 
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে করতেই হবে আস্থাভোট। স্পিকার জানান, প্রত্যেকদিন মাঝরাত পর্যন্ত বিধানসভা খুলে রাখা সম্ভব নয়। প্রত্যেকের স্বাস্থ্যের ব্যাপারেও চিন্তা করতে হবে। আর তাই মঙ্গলবার সন্ধ্যার মধ্যে যাতে আস্থাভোট হয়, সে ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামীকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার।

 


 

জনপ্রিয়

Back To Top