আজকাল ওয়েবডেস্ক: করোনার জেরে লকডাউন চলার সময় বেশিরভাগ সময়ই কেটেছে বাড়িতে। কারণ অফিস বন্ধ। কাজ বলতে সেরকম কিছু করতে হয়নি। তারপর শুরু হয় ওয়ার্ক ফ্রম হোম। সেটা কাটিয়ে এখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী–‌আমলাদের অফিসে যেতে হচ্ছে। ৫০ শতাংশ উপস্থিত থাকতে হচ্ছে কর্মচারীদেরও। এবার কাজের সময় দিনে ৮ থেকে বাড়িয়ে ১২ ঘণ্টা করে দেওয়ার ক্ষমতা রাজ্য সরকারগুলির হাতে তুলে দিতে দ্রুত অর্ডিন্যান্স আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ফলে লকডাউন উঠে যাওয়ার পর ১২ ঘন্টা কাজ করতে হবে!‌ বলা হচ্ছে, এই বর্ধিত ‘ওয়ার্কিং আওয়ার’ কার্যকর হতে পারে। মূলত শ্রমিকের অভাবের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে কেন্দ্র।
জানা গিয়েছে, করোনার জেরে বহু শ্রমিকই ভিনরাজ্য থেকে নিজেদের বাড়ি ফিরে গিয়েছে। এই অবস্থায় লকডাউন উঠে গেলেই যে তাঁরা কাজে যোগ দিতে পারবেন, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। লকডাউন উঠে গেলেও সামাজিক দূরত্বের বিধিনিষেধ এখনই ওঠার সম্ভাবনা নেই। ফলে কম শ্রমিক দিয়েই কাজ চালাতে হবে কারখানাগুলিতে। এই অবস্থায় পণ্যের চাহিদা পূরণ করতে গেলে কাজের সময় বাড়াতে হবে। সম্প্রতি কেন্দ্রের উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন কয়েকটি কমিটির বৈঠকেও এই বিষয়ে একমত হয়েছেন পদস্থ আমলারা। তারপরই অর্ডিন্যান্স আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, দেশে যে ফ্যাক্টরি আইন রয়েছে তাতে কোনও পূর্ণবয়স্ক শ্রমিককে দিয়ে দিনে সর্বাধিক ৮ ঘণ্টা কাজ করানো যেতে পারে। সেই আইনেই সংশোধনী আনা হবে। রাজস্থান সরকার অবশ্য ইতিমধ্যেই কাজের সময় বাড়িয়ে ১২ ঘণ্টা করে দিয়েছে। একই পথে হাঁটতে চলেছে পাঞ্জাবও। মূলত অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের জোগান বজায় রাখার জন্যই এই পদক্ষেপ।

জনপ্রিয়

Back To Top