আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ গত বার ৪৪। এবার ৫২। আবারও লোকসভা নির্বাচনে ভরাডুবি গান্ধী–নেহরুর কংগ্রেসের। ২০১৪ সালে সোনিয়া গান্ধী এবং পুত্র রাহুল গান্ধী একসঙ্গে মিলেও সামলাতে পারেননি মোদি ঝড়। আর এবার কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে একার কাঁধেই দায়িত্ব তুলে নিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। সঙ্গে ছিলেন বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র। কিন্তু না, তাতেও শেষরক্ষা হয়নি। মোদি ঝড় নয়, মোদি সুনামিতেই ভেসে গিয়েছে কংগ্রেস–সহ বাকি বিরোধীদলগুলি। আগের বারের তুলনায় আরও বেশি সংখ্যক আসন পেয়েছে এনডিএ জোট। একাই তিনশোর বেশি আসনে জিতেছে বিজেপি। আর এই হারের দায় যেন গিয়ে পড়ছে সোজা রাহুলের উপরেই। ২০১৪ সালে হারের পর কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন রাহুল–সোনিয়া। তখন কংগ্রেসের অন্য নেতৃত্বরা তাতে সায় দেয়নি। কিন্তু এবার কংগ্রেসের নিচু স্তরের কর্মীরাই যেন চাইছেন রাহুল সরে দাঁড়ান নিজের পদ থেকে। যেমন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজস্থানের এক কংগ্রেস কর্মী বলেন, ‘‌যদি ওরা কিছু জিনিস পরিবর্তন করতেই চায়, তাহলে শীর্ষ নেতৃত্বের বদল ঘটাক।’ অর্থাৎ স্পষ্টতই রাহুলের উপর যেন বিশ্বাস আর রাখতে পারছেন না কংগ্রেসের কর্মীরা। রাহুলও যেন আর কংগ্রেস সভাপতি পদে থাকতে চাইছেন না। ভোটের ফলাফলের পরেই যেমন সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছিলেন, হারের ১০০ শতাংশ দায় নিজের ঘাড়েই নিচ্ছেন তিনি। তবে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটিতে। সাংবাদিক সম্মেলনেও ইস্তফা প্রসঙ্গে সেকথাই শোনা গিয়েছিল রাহুলের মুখে। কংগ্রেস সূত্রে খবর, শনিবার সকাল ১১টায় বৈঠকে বসতে চলেছে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটি। সেখানেই হারের পর্যালোচনার পাশাপাশি রাহুলের ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা হতে পারে। এদিকে, রাহুলের কাছে ইতিমধ্যে ইস্তফা দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশে নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কংগ্রেস নেতা রাজ বব্বর। ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন কর্নাটকের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র কংগ্রেস নেতাও। এখন দেখার শনিবারের বৈঠকের পর রাহুল কী করেন?‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top