Durga Puja: অষ্টমীতে কেন হয় কুমারী পুজো?‌ জেনে নিন

আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ কুমারী পুজোর মূল উদ্দেশ্য নারী জাতিকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন। এ বিষয়ে সকলেই এক মত। দেবী পুরাণেও এর উল্লেখ রয়েছে। শাস্ত্র বলে, এক থেকে ১৬ বছর বয়সি অজাতপুষ্প সুলক্ষণা কুমারীকেই পুজো করা যায়। ব্রাহ্মণ বা অব্রাহ্মণ অবিবাহিত কন্যাকেই পুজো করার প্রথা। বয়স অনুযায়ী কুমারীর নাম হয় ভিন্ন।
শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছেন, শুদ্ধাত্মা কুমারীর মধ্যেই ভগবতীর প্রকাশ। ১৯০১ সালে স্বামী বিবেকানন্দ কলকাতার বেলুড় মাঠে নয় কুমারীকে পুজো করেন। তখন থেকে প্রতি বছর দুর্গাপুজোর অষ্টমী তিথিতে বেলুড় মঠে ধুমধাম করে এই পুজোর প্রথা চলে আসছে।
প্রাচীনকালে ঋষিরা কুমারীর মাধ্যমে প্রকৃতিকে পুজো করতেন। প্রকৃতির অর্থও নারী। এই নারী এবং প্রকৃতি কুমারীর মধ্যে মিলেমিশে যেত। কুমারীদের মন সৎ। কলুষতা নেই। তাই তাদের মধ্যেই প্রকাশ পায় ঈশ্বর বলে মনে করতেন সে যুগের ঋষিরা। মাদুরাইয়ের মীনাক্ষী দেবী মন্দির ও কন্যাকুমারীতেও ধুমধাম করে কুমারী পুজো হয়। কথিত, কুমারীপুজো ছাড়া হোমযজ্ঞ করেও দুর্গাপুজোর সম্পূর্ণ ফল পাওয়া যায় না।
কুমারীপুজোর আগে সাধক কুমারীকে নতুন কাপড়, ফুলের মালা ও মুকুটে সাজান। পায়ে আলতা, কপালে সিঁদুর ও চন্দন পরান। মহাভারতে অর্জুনের কুমারী পুজোর কথা রয়েছে। এমনকি কামাখ্যা ও নেপালেও এই পুজো হয়ে আসছে মহাসমারোহে। অনেকে মনে করেন, এদেশে মন্দির নির্মাণ করে দেবী পার্বতীকে কুমারী মূর্তিতে পুজো শুরু হয়েছে কন্যাকুমারীতে।