আজকাল ওয়েবডেস্ক: নিখোঁজ মহিলার মামলায় ‘‌মহাদোষ’‌ না কাটা পর্যন্ত পুলিস কোনও উদ্যোগ নেবে না। এমনই জানিয়েছে দিল্লি পুলিস। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে নিখোঁজ হন এয়ার ইন্ডিয়ার কর্মী সুলক্ষণা নারুলা। কিন্তু তারপর থেকে পুলিস এই নিখোঁজ মামলার কোনও তদন্তই সেভাবে করেনি। কারণ জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী এই মামলায় ‘‌মহাদোষ’‌ রয়েছে। যা না কাটা পর্যন্ত তদন্ত শুরু করবে না পুলিস। 
গত বছরই দিল্লি ক্রাইম ব্রাঞ্চের কাছে এই সুলক্ষণা নিখোঁজ মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু ‘‌মহাদোষ’‌ না কাটা পর্যন্ত তদন্ত শুরু করা যাবে না। ক্রাইম ব্রাঞ্চের জ্যোতিষী তথা অফিসার বিজয় সামারিয়া জানান, ‘‌মহাদোষ’‌ রয়েছে এই মামলায়, যা শেষ হবে ১৯ এপ্রিল। ততদিন পর্যন্ত কোনও তদন্ত হয়নি। এমনকি তিনি সুলক্ষণার পরিবারকেও জানিয়েছেন যে সুলক্ষণারও ‘‌মহাদোষ’‌ শেষ হবে একই দিনে। বিজয় সামারিয়া নিখোঁজ মহিলার ছেলে অনুভবকে মায়ের কুষ্ঠিতে নিয়ে আসতে বলেন। ওই কুষ্ঠি সহ নিজের কুষ্ঠিও তিনি জ্যোতিষীকে দেখান। মহিলার কুষ্টিতে পাওয়া যায় ‘‌মহাদোষ’‌। ক্রাইম ব্রাঞ্চের অফিসার নিশ্চিত যে ২০ এপ্রিল যে কোনও সময়ে খুঁজে পাওয়া যেতে পারে সুলক্ষণাকে। কারণ এরপরই ভাল সময় আসছে মহিলার। 
ক্রাইম ব্রাঞ্চ তদন্ত না করে বরং নিখোঁজ মহিলার ছেলেকে ছত্তরপুর মন্দিরে দেবী বগলামুখীর পুজো দিতে বলেন। যাতে কোনও উপায় বের হয়। যদিও এসিপি জসবীর সিং উল্টো কথাই বললেন। তিনি জানান, সুলক্সনার পরিবারই তাঁদের জ্যোতিষীর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন এবং তিনি জানিয়েছেন যে সুলক্ষণা হরিদ্বার, মথুরা বা বৃন্দাবনে থাকতে পারেন। ক্রাইম ব্রাঞ্চের তদন্তকারি অফিসার বিজয় সামারিয়া তিন জায়গাতেই গিয়েছেন, কিন্তু কিছু খুঁজে পাননি। ৫৮ বছরের সুলক্ষণা নিখোঁজের তিনদিন পর থানায় নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করা হয়। ২০১৮ সালের অক্টোবরে তা ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে যায়।     

জনপ্রিয়

Back To Top