আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ জাপানের ইয়োকোহামায় ডায়মন্ড প্রিন্সেস জাহাজে আটকে পড়েছিলেন বহু ভারতীয়। আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, ওই জাহাজে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। তারপরই তড়িঘড়ি বিশেষ বিমানে করে বৃহস্পতিবার জাহাজে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনা হল। বিমানে ১১৯ জন ভারতীয় ছাড়া ছিলেন শ্রীলঙ্কা, নেপাল, দক্ষিণ আফ্রিকা ও পেরুর ৫ নাগরিক। ভারতীয়রা বারবার ওই জাহাজ থেকে বার করে আনার জন্য তাঁদের অনুরোধ করছিলেন। তাঁরা জানাচ্ছিলেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছিলেন একের পর এক ক্রু।
ভারতীয়দের নিরাপদে জাহাজ ছাড়ার ব্যবস্থা করার জন্য জাপানি প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ভারত সরকার। এ নিয়ে টুইট করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। লিখেছেন, কিছুক্ষণ আগেই ওই এয়ার ইন্ডিয়া উড়ান টোকিও থেকে দিল্লি এসে পৌঁছেছে।
বিলাসবহুল ওই জাপানি জাহাজটিতে ছিলেন ১৩২ জন কর্মী ও ৬ জন সাধারণ নাগরিক সহ ১৩৮ জন ভারতীয়। মোট যাত্রীসংখ্যা ৩,৭১১। ৫ তারিখ জাপানে জাহাজটিকে কোয়ারান্টাইন করা হয়, দেখা যায়, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এক প্রাক্তন যাত্রী। ১৩৮ জন ভারতীয়র মধ্যে ১৬ জনের শরীরে করোনার জীবাণু পাওয়া গিয়েছে, জাপানে রেখেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে, বাকিদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে দেশে। প্রতিবেশী দেশগুলিকে সাহায্যের নীতি মেনে শ্রীলঙ্কার ২ নাগরিক, নেপাল, দক্ষিণ আফ্রিকা ও পেরুর ১ জন করে নাগরিককেও নিরাপদে ভারতে নিয়ে আসা হয়েছে।
জাহাজ থেকে যাঁরা ফিরে এলেন, তাঁদের সকলকে এখন ১৪ দিন কোয়ারান্টাইনে রাখা হবে। হরিয়ানার মানেসরে ভারতীয় সেনার পর্যবেক্ষণে তৈরি হয়েছে এই ব্যবস্থা। ৩ জন ভারতীয় ক্রু অবশ্য ওই বিশেষ বিমানে চড়ে ভারতে ফেরেননি, জাপানী ওই জাহাজেই কোয়ারান্টাইন পর্ব সারতে চান তাঁরা। যে ১৬ জন ভারতীয়র জাপানে করোনাভাইরাসের চিকিৎসা চলছে, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে ভারতীয় দূতাবাস।

জনপ্রিয়

Back To Top