আজকালের প্রতিবেদন, দিল্লি, ২৭ মে- বিশ্বে করোনায় মৃত্যুহার ৬.৩৬ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ভারতে গত এপ্রিলের গোড়ায় করোনায় মৃত্যুহার ছিল ৩.৩৮ শতাংশ। এক মাস পরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২.৮৭ শতাংশ। এর পিছনে মূলত ৩টি কারণের কথা বলছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। সময়মতো লকডাউন, নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং উপযুক্ত স্বাস্থ্য পরিষেবা। 
এই ব্যাপারে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন বিস্তারিত পরিসংখ্যান দিয়ে জানিয়েছেন, দেশে এখন ১,৫৮,৭৪৭ আইসোলেশন বেড, ২০,৩৫৫ আইসিইউ বেড, ৬৯,০৭৬ অক্সিজেন জোগানের উপযুক্ত বেড–‌‌সহ মোট ৯৩০টি কোভিড হাসপাতাল গড়া হয়েছে। এছাড়াও দেশজুড়ে ২,৩৬২টি কোভিড স্বাস্থ্যকেন্দ্র  প্রস্তুত রয়েছে, যাতে রয়েছে ১,৩২,৫৯৩টি আইসোলেশন বেড, ১০,৯০৩টি আইসিইউ বেড এবং ৪৫,৫৬২টি অক্সিজেন জোগান দেওয়ার উপযুক্ত বেড। এছাড়াও করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ১০,৩৪১টি কোয়ারেন্টিন সেন্টার ও ৭,১৯৫টি কোভিড কেয়ার সেন্টারে মোট ৬,৫২,৮৩০ বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। 
নমুনা পরীক্ষা প্রসঙ্গে হর্ষ বর্ধন বলেছেন, দেশে ৪৩৫টি সরকারি ও ১৮৯টি বেসরকারি ল্যাবরেটরিতে এখনও পর্যন্ত মোট ৩২ লক্ষ ৪২ হাজার ১৬০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। মঙ্গলবার পরীক্ষা হয়েছে ১ লক্ষ ১৬ হাজার ৪১ জনের নমুনা। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, বুধবার সকাল পর্যন্ত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১,৫১,৭৬৭। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৪,৪২৬ জন। দেশে করোনা থেকে সেরে ওঠার হার ৪২.‌২ শতাংশ। 
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৬,৩৮৭ জন। এই নিয়ে পর পর ছ’দিন দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ছ’হাজারের ওপরে রয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে আরও ১৭০ জনের। মোট মৃত ৪ হাজার ৩৩৭ জন। 

জনপ্রিয়

Back To Top