সংবাদ সংস্থা, দিল্লি, ২৫ মার্চ- ভারতে করোনা সংক্রমণ যেভাবে ছড়াচ্ছে সেই ধারা বজায় থাকলে মে মাসের মাঝামাঝি আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ থেকে ১৩ লাখ পর্যন্ত হতে পারে!‌ দিন দশেক আগের তথ্যের ভিত্তিতে সতর্ক করল আন্তর্জাতিক গবেষক দল। দিল্লির স্কুল অফ ইকনমিক্স, আমেরিকার মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়, জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটি ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে নানা শাখার গবেষকদের মিলিয়ে তৈরি হয় কোভ–ইন্ড–১৯ স্টাডি গ্রুপটি। তাঁদের বক্তব্য, সংক্রমণ মোকাবিলায় অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতের ভূমিকা প্রশংসনীয়। প্রথম পর্বে ইতালি ও আমেরিকার ভূমিকা একরকম ছিল। ভারতের তেমন নয়। প্রথম থেকেই আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে জোর দিয়েছে ভারত। কিন্তু সমস্যার জায়গাটা হল, রক্তপরীক্ষার সীমাবদ্ধতা। আসলে যে কতজন আক্রান্ত, সেই তথ্যটা নেই। সেটাই বিপজ্জনক। অবস্থাটা বদলাতে হলে ভারতকে এদিকে নজর দিতে হবে। এবং কঠোরভাবে সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে হবে। উল্লেখ্য, ১৬ মার্চ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে গবেষণাপত্রটি। এর মধ্যে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কড়াকড়ি বেড়েছে, মঙ্গলবার মাঝরাত থেকে সারা দেশেই জারি হয়েছে লকডাউন। ভারতে জনসংখ্যা পিছু চিকিৎসা–‌বন্দোবস্তের সীমাবদ্ধতাও তুলে ধরা হয়েছে রিপোর্টে। বিশ্ব ব্যাঙ্কের তথ্য ব্যবহার করে বলা হয়েছে, ১০০০ মানুষ–পিছু ভারতে হাসপাতালের শয্যার সংখ্যা ০.‌৭, যেখানে আমেরিকায় সংখ্যাটা ২.‌৮, ইতালিতে ৩.‌৪, চীনে ৪.‌২, ফ্রান্সে ৬.‌৫, দক্ষিণ কোরিয়ায় ১১.‌৫। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top