সফল শল্যচিকিৎসা কোচবিহারে, এখন শুনতে পাচ্ছে জন্মবধির মধুজা

আজকাল ওয়েবডেস্ক: চার বছর বয়স মধুজার। শুধু মা-বাবা ছাড়া আর কোনও শব্দ, কথা কিচ্ছু বলতে পারত না সে। শুনতেও পারত না। মধুজা যে কখনও শুনতে পারবে, এমনটা আশাও করেননি তাঁর পরিবার। কিন্তু সকলকে বাস্তবিকই চমকে দিল হায়দ্রাবাদের যশোদা হসপিটাল। বাংলার প্রথম শিশু, যার কানে অপারেশনের মাধ্যমে বসানো হল ককলিয়ার। এই ককলিয়ার মানুষের কানে থাকে বলেই, তাঁরা শুনতে পান। কিন্তু মধুজার জন্ম থেকেই ককলিয়ার ৯০ শতাংশ নষ্ট ছিল, জানান ডাক্তাররা। দশদিন আগে তার দু'কানে অপারেশন হয়েছে। দুদিন আগে থেকে শুরু হয়েছে স্পিচ থেরাপি। এরপর থেরাপির মাধ্যমে কথা বলতে শিখবে মধুজা। একজন স্বাভাবিক শিশুর মতোই জীবনযাপন করতে পারবে সে। বলাই বাহুল্য, মধুজার মুখে যে শুধু হাসি ফুটেছে তাইই নয়, এমনকি পরিবারেও বইছে আনন্দের বন্যা। 

তবে এটি বাংলায় প্রথম হলেও, যশোদা হাসপাতালে এর আগেও ককলিয়ার ইমপ্লান্ট হয়েছে। এপ্রসঙ্গে ডঃ মানুস্রুত জানান, "যাঁরা একেবারেই কানে শুনতে পারেন না, এমনকি হিয়ারিং এড লাগিয়েও উপকার পান না, তাঁদের কানে অপারেশনের মাধ্যমে ককলিয়ার বসানো হয়। এটা একটা ছোট ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস, যেটা কানের পিছনে লাগানো হয়। ককলিয়ার নার্ভকে সক্রিয় করে তোলে। যেকোনও বয়সী মানুষের কানেই এটা বসানো যায়। এমনকি একবছরের শিশুদের কানে বসালে, ছোট বয়সেই স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবে তারা।"