আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ করোনা সংক্রমণ রুখতে গোটা দেশজুড়ে জারি লকডাউন। তবে এবার তা কমিয়ে আনা হয়েছে কনটেনমেন্ট জোনে। ইতিমধ্যেই একে একে পরিযায়ী শ্রমিকরা ফিরছেন নিজেদের রাজ্যে। নিয়ম মেনে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে কাটানোর পর ফিরতে পারছেন বাড়িতে। কিন্তু এবার সেই শ্রমিকদের হাতেই কন্ডোম কিংবা গর্ভনিরোধক ওষুধ বিতরণ করছে বিহার সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তর। অহেতুক জনসংখ্যা বৃদ্ধি রুখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।
২০১৬ সালে জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষা অনুযায়ী, বিহারেই জন্মহার সবচেয়ে বেশি। প্রতি একজন মহিলায় শিশু জন্মের হার ৩.‌৪। লকডাউনের কারণে দীর্ঘদিন বাড়ির বাইরে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকরা ঘরে ফিরছেন। আর তাই অহেতুক জনসংখ্যা বৃদ্ধি রুখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিহার সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তর। বিহার স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে বলা হয়েছে, প্রতিবছর মার্চ এবং নভেম্বরে হোলি, দিওয়ালি এবং ছটের সময় প্রচুর পরিযায়ী শ্রমিক বাড়ি ফেরেন। তার ৯–১০ মাস পরেই শিশুদের জন্মের হার অনেকটাই বেড়ে যায়। আবার পরবর্তীতে তা কমে যায়। তাই এবার আগেভাগেই কন্ডোম বা গর্ভনিরোধক বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি প্রায় ৩০ লক্ষ পরিযায়ী ফিরেছেন বিহারে। কোয়ারেন্টিন সেন্টারগুলিতে স্বাস্থ্যকর্মী যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা দু’প্যাকেট করে কন্ডোম বিতরণ করছেন পরিযায়ীদের। আর অন্যদিকে আশা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে হোম কোয়ারেন্টিনে যাঁরা আছেন, তাঁদের কন্ডোমের প্যাকেট দিয়ে আসছেন। এছাড়া কয়েকটি জেলায় পোলিও ভ্যাকসিনের সুপারভাইজারকে গর্ভনিরোধক বিতরণ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ এই কাজটিকে জারি রাখতে চাইছে আগামী জুন মাস পর্যন্ত। ‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top