আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে ঘাঁটি সরিয়েছে চীন। গালোয়ানে প্রায় দেড় এক কিলোমিটার পিছিয়ে গিয়েছে লাল ফৌজ। নিশ্চিত করেছে চীন প্রশাসন, এমনটাই জানাচ্ছে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম। সমঝোতা মেনে ভারতীয় সেনাও ১.‌৫ কিমি পেছনে সরে এসেছে। জানা গেল চীনের এই পিছু হঠা শুরু হয়েছে রবিবার জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শদাতা অজিত দোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং উইয়ের একটি ফোনকলের পরেই। 
এর আগে ভারতীয় সেনার সূত্রে খবর মিলেছিল, গালোয়ানে সংঘর্ষ বিন্দু থেকে অন্তত দু’‌কিলোমিটার পেছনে সরেছে চীন সেনা। এবারে সমঝোতা মেনে পিছু হঠেছে ভারতীয় সেনাও। ভারতের বায়ু সেনার তরফেও জাগুয়ার, মিরাজ ২০০০, সুখোই ৩০–এমকেআই ইত্যাদি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। গোগরা হট স্প্রিং এরিয়াতেও প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।‌ এক উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিক সূত্রে খবর ছিল, ‘‌চীনের পিপলস্‌ লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)–কে পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৪ (পিপি১৪) থেকে সেনা সরানো হয়েছে। যেখানে সংঘাত হয়েছিল দু’‌পক্ষের সেনার। এছাড়া পিপি১৫ ও পিপি১৭ থেকে সেনা এবং ১৪ টি তাঁবুও সরিয়ে নিতে দেখা গিয়েছে। গালোয়ান, হটস্প্রিংস এবং গোগড়া এলাকায় পিএলএ–এর যানবাহনের পিছু হঠাও লক্ষ্য করা গিয়েছে।’‌ এনএনআই জানিয়েছে, গালোয়ান সংঘর্ষের পরে গত ২২ এবং ৩০ জুন দুই সেনার উচ্চ কমান্ডার স্তরের বৈঠকের ফলশ্রুতিতেই এই ‘ডিসএনগেজমেন্ট’। এবং একটি ‘‌বাফার জোন’ তৈরি করার কথা বলা হয়েছিল। সেটি চৈরি হয়েছে বলে খবর।‌ সমঝোতা অনুযায়ী চীন সত্যিই পিছু হঠেছে কিনা, নজরে রাখছিল ভারত। দেখা যায়, রবিবার থেকেই চীন সেনা পিছু হঠতে থাকে। 
৩০ জুনের ডিসএনগেজমেন্ট পরিকল্পনা অনুসারে, দুই সামরিক কমান্ডারের মধ্যে কথা হয়েছিল, মূলত সংঘাতের বিন্দুগুলি অর্থাৎ গালোয়ান, প্যাংগং লেক, হটস্প্রিংস থেকে দু’‌তরফেই সেনা সরানো হবে। পূর্ব লাদাখের প্যাংগং লেকের উত্তরের ‘ফিঙ্গার এরিয়া’–এ পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি, জানা গিয়েছে সেনা সূত্রে। এএনআইয়ের রিপোর্ট, গালোয়ান নদীর গভীর এলাকাগুলিতে এখনও কিছু অস্ত্র ভর্তি যানবাহন দাঁড়িয়ে রয়েছে।  

জনপ্রিয়

Back To Top