আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মর্মান্তিক!‌ পিঁপড়ে মারতে গিয়ে নিজেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেলেন ২৭ বছরের এক তরুণী। চেন্নাইয়ের পেরুমল কয়েল স্ট্রিটের বাসিন্দা ওই তরুণী একটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। তাঁর শরীরে ৯০ শতাংশই পুড়ে গিয়েছিল। কাগজে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন ধরানোর পরই ঘটে বিপত্তি।
মহামারীর জেরে বাড়ি থেকেই কাজ করছিলেন এস সঙ্গীতা নামের ওই তরুণী। গত শনিবার কাজ করতে করতেই তাঁর নজরে পড়ে ঘরের কোণে বাসা বেঁধেছে পিঁপড়েরা। তখনই তিনি সিদ্ধান্ত নেন ওই বাসাটি পুড়িয়ে দিতে হবে। সেইমতো কাগজে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন সঙ্গীতা। কিন্তু পিঁপড়ের বাসা পোড়াতে যেতেই পিঁপড়েরা এলোমেলো ছুটতে থাকে। কিছু পিঁপড়ে ওই সঙ্গীতার পায়ে কামড়েও দেয়। তখনই ঘটে বিপত্তি। তিনি তাঁর গায়ে ওঠা পিঁপড়েগুলিকে মারতে যাওয়ার সময় আগুনের কাছেই রেখে দেন কেরোসিনের পাত্রটি। সঙ্গে সঙ্গে আগুন দপ করে জ্বলে ওঠে। তরুণী অগ্নিদগ্ধ হন। 
তাঁর ভাই এবং প্রতিবেশীরাও সেখানে উপস্থিত হয়ে আগুন নেভাতে চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুন ততক্ষণে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় তাঁদের চোখের সামনেই দাউদাউ করে জ্বলতে থাকেন সঙ্গীতা। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গত রবিবার সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। সঙ্গীতার দেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী সঙ্গীতা তাঁর পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ছিলেন। লকডাউনের ধাক্কায় পেশায় গাড়ির চালক তাঁর বাবা বেকার হয়ে পড়েন। 

জনপ্রিয়

Back To Top