আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। তা প্রতিরোধের জন্য বাজারে আসছে একের পর এক টিকা। ভারত সরকারের লক্ষ্য, ২০২১ সালের মার্চের মধ্যে টিকা প্রদান শুরু। অগ্রাধিকার দেওয়া হবে স্বাস্থ্যকর্মীদের। 
আপাতভাবে যতটা মনে হচ্ছে, এই টিকা বিলি কিন্তু ততটাও সহজ নয়। বিশেষত ভারতের মতো উন্নয়নশীল এবং উষ্ণ দেশে। কারণ এই টিকা সংরক্ষণ এবং পরিবহনের জন্য দরকার আধুনিক পরিকাঠামো, কোল্ড স্টোরেজ।
বর্তমানে দেশে শিশু এবং গর্ভবতী মহিলাদের প্রতি বছর টিকা প্রদান করে সরকার। টিকা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয় ঠান্ডা যন্ত্রে। এবার এই বর্তমান পরিকাঠামো ব্যবহার করেই করোনার টিকা বিলি করার কথা ভেবেছে কেন্দ্র। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সচিব রাজীব ভূষণ। 
কিন্তু দিল্লির একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রধান টি সুন্দরারামন জানালেন, বর্তমানে ভারতে টিকা সংরক্ষণের জন্য যে পরিকাঠামো ব্যবহার করা হয়, তা করোনা টিকা প্রদানের জন্য যথেষ্ট নয়। কারণ এখন সরকার চালিত জাতীয় টিকা করণ প্রকল্পের আওতায় এখন বছরে দু’‌কোটি ৬৭ লক্ষ সদ্যোজাত এবং দু’‌ কোটি ৯০ লক্ষ গর্ভবতীকে টিকা দেওয়া হয়। 
মাথায় রাখতে হবে করোনার টিকা ১৩০ কোটি দেশবাসীকেই দিতে হবে। এই বর্তমান পরিকাঠামো ব্যবহার করে মাত্র ২০ থেকে ২৫ শতাংশ নাগরিককেই টিকা দেওয়া যাবে। তাছাড়া করোনার টিকা সংরক্ষণ করতে হবে অনেক কম উষ্ণতায়। ফাইজারের টিকা মাইনাস ৭০ ডিগ্রিতে সংরক্ষণ করতে হয়। মডার্নার টিকা এক মাস পর্যন্ত সাধারণ ফ্রিজে রাখা যায়। তার বেশি রাখতে গেলে বিশেষ ব্যবস্থা প্রয়োজন। ভারতে যে কোল্ড স্টোরেজ রয়েছে, সেখানে উষ্ণতা মাইনাস ২০ ডিগ্রি পর্যন্ত নামানো যায়। সেটাও সমস্যা তৈরি করতে পারে।

জনপ্রিয়

Back To Top