LIVE UPDATE: করোনা মোকাবিলায়‌ জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

 

দেশ একটা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

মানবসভ্যতা এখন সঙ্কটে। 

বিশ্বযুদ্ধের থেকেও ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি।

এই সময়ে একজোট হয়ে আমাদের সবাইকে লড়াই করতে হবে।

প্রত্যেক দেশবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে।

আমি যখনই আপনাদের থেকে কিছু চেয়েছি, আমরা আমাকে নিরাশ করেননি।

ভারত সরকার এই গোটা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছে।

কোনও কোনও দেশকে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হয়েছে।

বহু মানুষকে আইসোলেট করে রেখে পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছে।

আমাদের মতো দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়লে তা ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে।

একে মোকাবিলা করতে একমাত্র দু’‌টিই উপায় সংকল্প ও সংযম। 

কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যেসব নিয়ম কানুন বা বিধিনিষেধের কথা বলছে, তা পালন করে চলুন।

আমরা প্রতিজ্ঞা নেব, সংক্রামিত হওয়ার থেকে বাঁচব ও বাঁচাব।‌

আমরা সুস্থ থাকলে জগৎ সুস্থ থাকবে। সংযমের উপায়– ভিড় এড়ানো, বাড়ি থেকে কম বেরনো। 

খুব প্রয়োজন না পড়লে কেউ বাইরে বেরবেন না।

ব্যবসা হোক, দপ্তর হোক, পারলে বাড়িতে থেকেই করুন।

আমার ছোটবেলা মনে আছে, যুদ্ধের পরিস্থিতির সময়ে সবাই সতর্ক থাকত।

রবিবার, ২২ মার্চ সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কার্ফু।

জনতা দ্বারা জনগণের জন্য জনতা কার্ফু।

রবিবার সকালে সাইরেন বাজিয়ে কার্ফু শুরু হবে।

এনসিসি, এনএসএস ও ধার্মিক সংগঠনগুলোকে অনুরোধ করব রবিবারের জনতা কার্ফিউয়ের বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিন। 

সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। সতর্ক থাকতে হবে।

সহযোগিতার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে অনুরোধ, জনতা কার্ফুর কথা প্রচার করে মানুষের কাছে পৌঁছে দিন।

নিজে বাঁচলে সমাজ বাঁচবে।

এই সঙ্কটের সময় হাসপাতালে বেশি ভিড় বাড়াবেন না। অনুরোধ করছি, রুটিন চেকআপ এখন করাবেন না। যতটা সম্ভব, কম করুন এটা। প্রয়োজনে ফোন করে উপদেশ নিন।

ব্যবসায়ীদের বলব, যাঁরা যাঁরা আপনাদের সঙ্গে কাজ করেন, তাঁদের আর্থিক দিকটা দেখুন। বেতন কাটবেন না। তাঁদেরও নিজেদের পরিবারকে দেখতে হয়। 

খাবার, ওষুধ যাতে কম না পড়ে, সেদিকে নজর দেওয়া হবে। কম পড়বে না। জরুরি জিনিস মজুত রাখার প্রয়োজন নেই।‌‌

কেউ গুজব ছড়াবেন না।

এই সময়ে দাঁড়িয়ে মহামারী রুখতে  সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করুন। এতে ভারত জিতবে। মানবজাতি জিতবে। 

জনপ্রিয়

Back To Top