আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারতের স্বার্থবিরোধী কাজকর্মের জন্যই ব্রিটিশ সাংসদ ডেবি আব্রাহামস–এর ভিসা বাতিল করা হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে সাফ জানানো হল, ২০১৯ এর ৭ই অক্টোবর ডেবি আব্রাহামসকে ই বিজনেস ভিসা দেওয়া হয়েছিল। যা ২০২০–র ৫ই অক্টোবর পর্যন্ত বৈধ ছিল। কিন্তু ভারতের স্বার্থবিরোধী কাজকর্মে লিপ্ত হওয়ার জন্য গত ১৪ই ফেব্রুয়ারি তাঁর সেই ভিসা বাতিল করা হয়। এবং সে দিনই তাঁকে সে কথা জানিয়েও দেওয়া হয়। কাউকে ভিসা দেওয়া বা সেই ভিসা বাতিল করা কোনও সার্বভৌম দেশের নিজস্ব অধিকার।
একই সঙ্গে এটাও বলা হয়েছে, এমনিতে ডেবির কাছে বৈধ ভিসা ছিল না। বিজনেস ভিসার অনুমোদন মেলে কোনও ব্যবসায়িক সভায় অংশগ্রহণের জন্য। এই ভিসা নিয়ে বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের লোকজনের সঙ্গে দেখা করতে আসা যায় না। ডেবি নিজেই বলেছেন তিনি বন্ধু–স্বজনের সঙ্গে দেখা করতেই এ দেশে আসছিলেন। তাই তাঁর ভিসা বাতিল করায় কোনও সমস্যা নেই। 
ব্রিটিশ সাংসদ ডেবি কাশ্মীর ইস্যুতে প্রতিবাদ করেছেন বারবার। সোশ্যাল সাইটে সেই প্রতিবাদও সকলে দেখেছেন। গত ৫ই আগস্ট কাশ্মীরে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপ করা হয়। তারপরেই তিনি ব্রিটেনের ভারতীয় দূতাবাসে চিঠি লেখেন। তিনি ‘ অল পার্টি পার্লামেন্টরি গ্রুপ ফর কাশ্মীর’–এর প্রধান হিসেবেও কাজ করছেন বহুদিন ধরে। মোদি সরকারের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনার জেরেই লেবার পার্টির ব্রিটিশ সাংসদ ডেবি আব্রাহামসের ভিসা বাতিল করেছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। এই জল্পনা কার্যত সত্যিই হল এই ঘোষণার পর। 
ব্যক্তিগত কাজে দু’দিনের জন্য ভারতে এসেছিলেন ডেবি। সোমবার সকালে ৯ টা নাগাদ দিল্লি বিমানবন্দরে নামার পর তাঁর ই–ভিসা বাতিল করা হয়েছে বলে জানানো হয়। ডেবি আব্রাহামস জানিয়েছেন, বিমানবন্দরে নামার পরই তাঁর সঙ্গে অভব্য আচরণ করা হয়। এমনকী অপরাধীর মতোও ব্যবহার করা হয় এবং তাঁকে ‘ডিপোর্টি সেলে’ নিয়ে যাওয়া হয়। ‌ সবমিলিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলছেন, এরই নাম কি ‘ডেমোক্রেসি’!

জনপ্রিয়

Back To Top