সংবাদ সংস্থা, দিল্লি, ১০ জুলাই

বিতর্কে উঠে এল প্রশ্ন, এক বিপজ্জনক অপরাধীকে পুলিশ কেন হাতকড়া না পরিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল?  অপরাধীকে হাতকড়া পরানো নিয়ে এর আগে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা। তাঁদের বক্তব্য ছিল, এই ব্যবস্থা অমানবিক, অযৌক্তিক, অতিরিক্ত কঠোর এবং খামখেয়ালিপনা। উল্টোদিকে পুলিশ সাফাই দিয়ে এসেছে যে, ভয়ঙ্কর অপরাধীদের পালানো ঠেকাতে হাতকড়া পরানোই সবচেয়ে নিরাপদ ব্যবস্থা। উত্তরে সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, একমাত্র আদালতের নজরদারিতেই এর ব্যতিক্রম হতে পারে। প্রশ্ন উঠছে, দুবের মতো অপরাধীকে হাতকড়া পরাতে পুলিস আদালতের আগাম অনুমতি নিল না কেন?  
১৯৯৫ সালে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল যে, আদালতের সম্মতি ছাড়া বিচারাধীন বন্দিকে হাতকড়া বা কোনওরকম বেড়ি পরানো অপরাধ। আদালতে বা অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার সময় বন্দিকে হাতকড়া পরানো চলবে না। ১৯৮০ সালের দিল্লির আরেকটি মামলায় শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, বন্দিকে লোহার কোনও কিছু পরানোটাই পশুকে নিয়ন্ত্রণ রাখার শামিল এবং সংবিধানের ২১ ধারার বিরোধী। দরকার ছাড়াই কোনও বন্দির হাত–‌পা বেঁধে রাখলে সংবিধানের ১৪ ধারাকে লঙ্ঘন করা হয়। ১৯ ধারায় নাগরিকের ঘোরাফেরার স্বাধীনতা স্বীকৃত। হাতকড়া বা বেড়ি পরিয়ে তা কেড়ে নেওয়া যায় না। 
 

জনপ্রিয়

Back To Top