আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ২৬ বছরের এক যুবতী পশু চিকিৎসকের দেহ মিলেছিল আন্ডারপাস থেকে। হায়দরাবাদের সামসাবাদের বাসিন্দা যুবতী গাচ্চিবাউলি এলাকার একটি ক্লিনিকে গিয়েছিলেন। তাঁর দেহ পাওয়া যায় রঙ্গারেড্ডি জেলার ছাদনপল্লী গ্রামের আন্ডারপাস থেকে। আর এই রহস্যজনক মৃত্যুর পেছনে পুলিশের অনুমান, ধর্ষণ করে যুবতীকে খুন করেছে দুষ্কৃতীরা। তারপর পুড়িয়ে দিয়েছে দেহ। 
বুধবার রাতে যুবতীকে হত্যা করা হয়। তাঁর দেহ মিলেছিল বৃহস্পতিবার। শুক্রবার  ওই এলাকা থেকেই আরও এক মহিলার পোড়া নগ্ন দেহ উদ্ধার হল। মহিলার বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। সামসাবাদ পুলিশের কমিশনার ভি সি সাজ্জানগর বলেন, ‘‌সামসাবাদের অদূরে খোলা জায়গায় দেহটি পড়ে ছিল। ময়নাতদন্তের জন্য দেহটি নিয়ে যাওয়া হয়েছে সরকারি হাসপাতালে।’‌ পশু চিকিৎসকের দেহ যেখানে পাওয়া গিয়েছিল, তার কয়েক কিলোমিটার দূরেই পাওয়া যায় দ্বিতীয় মহিলার দেহ। দুই হত্যার মধ্যে কোনও যোগসূত্র আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। দ্বিতীয় মহিলার পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। একইভাবে দুটি মৃত্যুর ঘটনায় গোটা রাজ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। 
পশু চিকিৎসককে গণধর্ষণের পর পুড়িয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে একদল দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। ঘটনায় সিসিটিভি সূত্র ধরে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে এক ট্রাকচালক, দুই খালাসিসহ ৪ জনকে। এদিকে পশু চিকিৎসক খুনে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গেছে ইচ্ছা করেই অভিযুক্তরা পশু চিকিৎসক যুবতীর স্কুটারের টায়ার পাংচার করেছিল। পুলিশের সন্দেহ যে টোল প্লাজায় যুবতী স্কুটার রেখেছিলেন, সেখানেই পাংচার করা হয় স্কুটারের টায়ার। এদিকে, মৃত চিকিৎসকের পরিবারের দাবি, পুলিশ তাঁদের সঙ্গে সহযোগিতা করছে না। সুবিচারের আশায় এক থানা থেকে অন্য থানায় তাঁদের ঘুরতে হচ্ছে।  
 

জনপ্রিয়

Back To Top