আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ হায়দরাবাদের এনকাউন্টারের ঘটনার পর মুখ খুললেন অন্ধ্রের ধর্ষিতার মা শামশাদ বেগম। কেন ১২ বছর পরেও কোনও বিচার হল না তাঁর মেয়ের ধর্ষণকারী ও হত্যাকারীদের?‌ শুধু কি সাধারণ ঘরের অভিযুক্তদেরকেই সাজা দিতে পারে সরকার?‌ অভিযুক্ত যদি কোনও রাজনৈতিক পরিবারের ছেলে হয় তাহলে কি পুলিশ চুপ থাকে?‌
শুক্রবার ভোর পৌনে ছটা নাগাদ পুলিশ হায়দরাবাদের পশু চিকিৎসকের ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্ত চারজনকে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য নিয়ে যায় সেই আণ্ডারপাসের তলায় যেখানে পাওয়া গিয়েছিল চিকিৎসকের পোড়া দেহ। পুলিশের দাবি, অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করলে গুলি চালায় তারা। এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট সিপি সজ্জানার এই দায়িত্বে ছিলেন। 
২০০৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর, অন্ধ্রের এক ফার্মাসির ছাত্রীকে তাঁর হোস্টেলে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। এক বছর পর ২০০৮ সালে সত্যম বাবু বলে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। কিন্তু ধর্ষিতার মায়ের দাবি, সত্যম বাবু না, অন্ধ্রের তখনকার উপমুখ্যমন্ত্রী কোনেরু রাঙ্গা রাওয়ের আত্মীয় আসল দোষী। শামশাদ বেগম তখন অনেক লড়াই করেছিলেন মেয়েকে সুবিচার দিতে কিন্তু পারেননি। আজ ১২ বছর পর তিনি আবার প্রশ্ন রাখলেন সারা দেশের কাছে। তিনি সিপি সজ্জানারকে ধন্যবাদ জানান চার অভিযুক্তকে এনকাউন্টারের মাধ্যমে পশু চিকিৎসকের প্রতি ন্যায় করার জন্য। তাঁর ধারণা, সিপি সজ্জানার যদি তাঁর মেয়ের কেসটির দায়িত্বে থাকতেন, তাহলে আজ অপরাধীরা ধরা পড়ত।    ‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top